ফেনীর পাঁচগাছিয়ায় এক শিশুকে ধর্ষণের পরে قتل করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটে ব্রিকফিল্ডের একটি পরিত্যক্ত সেপটিক ট্যাংকের পাশে, যেখানে স্থানীয়রা রাতের আধারে তার মরদেহ উদ্ধার করেন। পুলিশ এর সঙ্গে জড়িত হিসেবে রাসেল নামে এক যুবককে আটক করেছে।
প্রায় আটচল্লিশ ঘণ্টা আগে বুধবার (২৭ আগস্ট) রাত ১২টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। শিশুটি ওই এলাকার একটি মেয়ে, যে দুপুরে বাসা থেকে নিখোঁজ হয়। পরবর্তীতে আশেপাশে খোঁজাখুঁজি শুরু করলে কাউকে না পাওয়া গেলে রাতের শেষে ব্রিকফিল্ডের পাশে তার মরদেহ উদ্ধার হয়।
স্থানীয় সূত্র বলছে, শিশুটির দেহের শরীরে কাপড় ছিল না, যা ধারণা করা হচ্ছে তাকে ধর্ষণের পরে হত্যা করা হয়েছে। নিহতের মা মুক্তা বেগম বলেন, তাঁর মেয়ে দুপুরের দিকে হারিয়ে যায়। বিভিন্ন স্থানে খুঁজে না পেয়ে মাইকিং করেন। রাতে তার মরদেহ পানির মধ্যে ফেলে দেওয়া হয়। তিনি বলছেন, ‘আমার মেয়ের হত্যার জন্য আমি তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাচ্ছি, তার ফাঁসি চাই।’
অপর দিকে শিশুটির বাবা সোলায়মান আলী বলেন, ‘আমার পাঁচ বছরের মেয়েকে যে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে, আমি এর জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি চাই। এই ঘৃণ্য ঘটনাটি যেন আর কোন বাবা-মায়ের উপর না পড়ে।’
স্থানীয়রা বলছেন, এই হঠাৎ এ ধরনের ঘটনা খুবই দুঃখজনক। সাবেক ইউপি সদস্য নূর নবী জানিয়েছেন, আটক যুবকটি প্রায় দুই বছর ধরে ব্রিকফিল্ডে কাজ করছে। তার বাড়ি ময়মনসিংহের গৌরীপুরে। শিশুটির পরিবার ভোলার এবং ময়মনসিংহের বিভিন্ন স্থানে থাকলেও তারা সেখানে কলেজ বাসিন্দা। স্বজনরা জানিয়েছেন, ধর্ষণের পর যুবকটি শিশুটির মরদেহ সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দিয়েছিল বলে স্বীকার করেছে জিজ্ঞাসাবাদে।
ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী জানান, ঘটনাস্থল থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে আটক রাসেল আহতের সাথে জড়িত বলে স্বীকার করেছেন, এবং আইনি প্রক্রিয়া চালু রয়েছে।