নওগাঁয় গণঅধিকার পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠে আসার কারণে শতাধিক নেতাকর্মী একযোগে সংগঠন থেকে পদত্যাগ করেছেন। তারা অভিযোগ করেন, সংগঠনের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে স্বৈরাচারী আচরণ, অনিয়ম, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, দুর্নীতি এবং একক আধিপত্য বিস্তার বহু দিন ধরে চলে আসছে। তারা বলেন, সংগঠনের মূল আদর্শ ও নীতি থেকে সরছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব, ফলে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা অবমূল্যায়িত ও অবহেলিত হয়ে পড়েছেন। সংগঠনের অভ্যন্তরে মতামতের মূল্য না দিয়ে একন厚 সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হয়, যার কারণে সংগঠনের দুর্বল অবস্থা তৈরি হয়েছে। গঠনতন্ত্রের আওতায় বিভিন্ন কমিটি গঠনের নাম করে অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ দেওয়া হয়, যা সম্পূর্ণ অসৎ ও অবৈধ। এমনকি, সংগঠনের মূল কার্যক্রমের পরিবর্তে যুব অধিকার পরিষদের নিয়ন্ত্রণ চালিয়ে আসছে অঙ্গ সংগঠনটি, যা সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বিরোধী বলে নেতারা অভিযোগ করেন। সংগঠনের কিছু নেতারা অভিযোগ করেন, রাজশাহী বিভাগের উচ্চতর ক্ষমতাও এ সমস্ত কিছুর পেছনে ভূমিকা রাখছে। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও অন্যান্য নেতাদের নীতিহীন কাণ্ডকারখানা ও অসৎ কাজের ফলে নেতৃত্বে দীর্ঘ দিন ধরে দুর্বলতা দেখা দিয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে নেতারা বলেন, এই পরিস্থিতির কারণে নিজেদের মর্যাদা, আদর্শ ও দায়িত্ববোধের টানে তারা সংগঠন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতা শাকিব খান বলেন, নওগাঁ গণঅধিকার পরিষদের কমিটিতে কিছু পদে যে লোকজন রয়েছেন, তাদের যোগ্যতা ও পরিচর্যার অভাব রয়েছে এবং তারা শুধুমাত্র সম্পর্কের কারণে পদ পেয়েছেন। তিনি একনিষ্ঠভাবে জানান, বর্তমান কমিটি দুই হাত দিয়ে প্রত্যাখ্যান করে সংগঠনের ভবিষ্যত হারাতে চান। পুরো অনুষ্ঠান চলাকালে সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন এবং সংগঠনের বর্তমান কমিটির ঘোষণা বাতিলের জন্য ক্ষোভ প্রকাশ করেন।