• প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারাদেশ
  • আইন-আদালত
  • ফিচার
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • অন্যান্য
Sunday, April 12, 2026
Daily Nobojug
No Result
View All Result
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারাদেশ
  • আইন-আদালত
  • ফিচার
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • অন্যান্য
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারাদেশ
  • আইন-আদালত
  • ফিচার
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • অন্যান্য
No Result
View All Result
Morning News
No Result
View All Result
Home আন্তর্জাতিক

টুইন টাওয়ার হামলার প্রায় দুই দশক পার হয়ে গেছে

প্রকাশিতঃ 12/09/2025
Share on FacebookShare on Twitter

টুইন টাওয়ারে হামলার প্রায় দুই দশক অতিক্রম করেছে। প্রায় ২৪ বছর আগে, ২০০১ সালে, যুক্তরাষ্ট্রে চারটি যাত্রীবাহী প্লেন ছিনতাই করে সেই হামলা চালানো হয় নিউইয়র্কের দুটি বিখ্যাত আকাশচুম্বী ভবনে। এই ঘটনার ভিতর দিয়ে বহু জীবন হারিয়েছে, যার মধ্যে ছিল সাধারণ নাগরিক, দমকলকর্মী, পুলিশ সদস্য ও অন্যান্য কর্মচারী। এই ভয়ঙ্কর হামলা ছিল শতাব্দীর অন্যতম সবচেয়ে নির্মম ও ভয়াবহ ঘটনা—একটি ঘটনা যা গোটা বিশ্বকে অবাক করে দিয়েছিল এবং রাষ্ট্রসমূহের নিরাপত্তা ব্যবস্থার অব্যাহত পরিবর্তনের জন্ম দেয়।

অপরদিকে, মার্কিন সাংবাদিক টাকার কার্লসন দাবি করছেন, ইসরাইলি গোয়েন্দারা আরও বেশ কয়েক বছর আগে থেকেই এই হামলার বিষয়ে অবগত ছিলেন। এক প্রামাণ্যচিত্র সিরিজে তিনি বলেন, ইসরাইলের নেতৃত্ব কখনোই ৯/১১ ঘটনা সম্পর্কে গোপন রাখেনি। বরং তারা মনে করতেন, এই হামলা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করে তুলবে।

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার, ছিনতাইকারীরা চারটি প্লেনের মধ্যে বিভক্ত হয়ে একযোগে আকাশে ছিনতাই করে। এরপর তারা সেই প্লেনগুলোকে বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে নিউইয়র্কের ও ওয়াশিংটনের গুরুত্বপূর্ণ ভবনে আঘাত হানে। প্রথম প্লেনটি স্থানীয় সময় সকাল ৮:৪৬ এ নর্থ টাওয়ারে আঘাত হানে। কয়েক মিনিট পরে, সকাল ৯:০৩ এ সাউথ টাওয়ারে আরো এক প্লেন আঘাত করে। এই হামলার ফলে দুটি ভবনেই অগ্নিকাণ্ড ছড়িয়ে পড়ে এবং ধোঁয়ার কুণ্ডলী আকাশে ছড়িয়ে যায়। উভয় ১১০ তলার ভবন দ্রুত ধসে পড়ে দুই ঘণ্টার মধ্যে ধুলার ঝড়ের মত মেঝে গুঁড়ো হয়ে যায়।

এর পরে, স্থানীয় সময় সকাল ৯:৩৭ এ চতুর্থ প্লেনটি পেন্টাগনের পশ্চিম অংশে আঘাত হানে। ওয়াশিংটনের কাছাকাছি এই মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের সদর দপ্তর ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর ১০:০৩ এ চতুর্থ প্লেনটি পেনসিলভেনিয়ার এক খামারিতে বিধ্বস্ত হয়। ধারণা করা হয়, এই প্লেনের একজন যাত্রীর দল দেরি না করে গুপ্তজনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে ছিনতাইকারীদের ক্ষতিগ্রস্ত করে। মনে করা হয়, এই প্লেনটি ক্যাপিটল হিল বা অন্য গুরুত্বপূর্ণ স্মারক স্থাপনায় আঘাত হানার জন্য পরিকল্পিত ছিল।

এই হামলার পর, ইসরাইলি প্রভাবশালী নেতা বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, এই ঘটনাটি আসলে ভালোভাবেই ঘটেছিল কারণ এর ফলে যুক্তরাষ্ট্র জড়িয়ে পড়ে এমন এক সংঘাতে যা অনেক বছর ধরে তাদের অস্তিত্বের লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। ২০০২ সালে তিনি কংগ্রেসে ভাষণ দিতে গিয়ে বলেছিলেন যে, কিছু সময়ের জন্য গণতান্ত্রিক দেশগুলোকে ‘বোমা দিয়ে বাধ্য’ করতেই হয়। তিনি এমনকি পার্ল হারবারে জাপানি হামলার সঙ্গে ৯/১১-কে তুলনা করেছিলেন।

এই হামলায় সবমিলিয়ে মারা গেছে মোট ২,৯৭৭ জন। যেখানে ১৯ জন ছিনতাইকারী এই ঘটনায় অন্তর্ভুক্ত নয়। নিহতের মধ্যে বেশিরভাগই ছিলেন নিউইয়র্কের নাগরিক। চারটি প্লেনে মোট ২৪৬ জন যাত্রী ও ক্রু ছিল। ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের দুটো ভবনে প্রাণ হারান ২,৬০৬ জন। পেন্টাগনে আঘাতের ফলে ১২৫ জনের মৃত্যু ঘটে। সবচেয়ে ছোট নিহত ব্যক্তির বয়স ছিল মাত্র দুই বছর, যার নাম ছিল ক্রিস্টিন লি হ্যানসন। সে বাবা-মায়ের সঙ্গে একটি প্লেনে সফর করছিল। অন্যদিকে, সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি ছিলেন রবার্ট নর্টন, ৮২ বছর বয়সী, যিনি আরেকটি প্লেনে ছিলেন।

অভ্যন্তরীন হিসাব অনুযায়ী, প্রথম প্লেনে যাত্রীরা ছিল প্রায় ১৭ হাজার ৪০০ জন। আঘাতের স্থান অনুযায়ী, নিউইয়র্কের নর্থ টাওয়ার বা ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে আটকা পড়ে বহু মানুষ। উপরের তলার দিকগুলোতে থাকা অনেকেই প্রাণ রক্ষা করতে পারেননি, তবে সাউথ টাওয়ারে যারা ছিলেন, তার মধ্য থেকে ১৮ জন প্রাণে বেঁচে গিয়েছিলেন। আহতের সংখ্যা হাজারের ওপর থাকা মানুষ, যারা নানা ধরনের রোগ রোগে আক্রান্ত হয়। বিশেষ করে দমকলকর্মীরা বিষাক্ত ধোয়া ও দূষণের মধ্যে কাজ করতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন।

হামলার মূল পরিকল্পনাকারীরা ছিল উগ্র মতাদর্শের ইসলামপন্থী সংগঠন আল-কায়েদা, যারা আফগানিস্তান থেকে এই হামলা পরিকল্পনা করেছিল। এই গোষ্ঠীর নেতা ওসামা বিন লাদেন ছিল মূল পরিকল্পক। ছিনতাইকারীদের সবাই ছিল বিভিন্ন দেশের নাগরিক—অধিকাংশ সৌদি আরবের, পাশাপাশি সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিসর ও লেবাননের নাগরিক। তারা সকলেই প্রশিক্ষণ নিয়েছিল মার্কিন ফ্লাইং স্কুলে।

বিয়ের দিন ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে যাচ্ছিলেন একাধিক নিহত ব্যক্তি। এই হামলার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই, মার্কিন সরকার আফগানিস্তানে আক্রমণ চালায় এবং আল-কায়েদাকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য অভিযান শুরু করে। পরে, ২০১১ সালে, পাকিস্তানে ওসামা বিন লাদেনকে খুঁজে বের করে হত্যা করে মার্কিন সেনারা। আপাতত, আল-কায়েদার কার্যক্রম এখনও চলমান রয়েছে এবং তারা আফ্রিকার সাহারা মরুভূমির নিচের দেশগুলোসহ আফগানিস্তানে সক্রিয় অবস্থান রাখছে। তবে, ২০২১ সালে, পশ্চিমা সেনারা আফগানিস্তান ছেড়ে যাওয়ার পরে তালেবান নতুন সরকার গঠন করে দেশ পরিচালনা করছে।

সর্বশেষ

রদকৃত অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই করে নতুন আইন প্রণয়ন করবে সরকার

April 12, 2026

নববর্ষে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা নেই, নিরাপত্তা জোরদার: ডিএমপি

April 12, 2026

ধামরাইয়ে এনসিপির আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে সংঘর্ষ, আহত ১৫–২০ জন

April 12, 2026

কনকচাঁপার সঙ্গে অশোভন আচরণ, দায়ীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা: রুহুল কবির রিজভী

April 12, 2026

হরমুজ প্রণালি থেকে মাইন অপসারণে মার্কিন সামরিক অভিযান শুরু

April 12, 2026

হরমুজ প্রণালি ইরানের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে

April 12, 2026
Daily Nobojug

হাউজ নং ৫৯৪, ৯৮, কাওরান বাজার
ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ইমেইলঃ [email protected]
বিজ্ঞাপনঃ [email protected]

সম্পাদকঃ ইসরাত রশিদ

সহ-সম্পাদক- জনি জোসেফ কস্তা

সিনিয়র সহ-সম্পাদকঃ নুরুল হুদা

উপদেষ্টাঃ নূর মোহাম্মদ

প্রকাশকঃ আলী আমিন ও মোহাম্মদ ওমর সানী

  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারাদেশ
  • আইন-আদালত
  • ফিচার
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • অন্যান্য

© 2019 Daily Nobojug - All rights reserved.

No Result
View All Result
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারাদেশ
  • আইন-আদালত
  • ফিচার
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • অন্যান্য

© 2019 Daily Nobojug - All rights reserved.