বিশ্বের সবচেয়ে Prestigious টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। বছর শুরুতেই তারা নিজেদের রণকৌশল চূড়ান্ত করেছে, যা শ্রীলঙ্কা ও ভারতের মঞ্চে অনুষ্ঠিতব্য এই মহা টুর্নামেন্টের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া ১৫ সদস্যের শক্তিশালী প্রাথমিক স্কোয়াড ঘোষণা করেছে, যেখানে অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার মিচেল মার্শকে দলের অধিনায়ক হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পেছনে মূল কারণ হলো এশিয়ান কন্ডিশন ও পিচের আচরণের সাথে সামঞ্জস্য রেখে দল সাজানো। নির্বাচকরা মনে করেন, আসন্ন বিশ্বকাপে সফলতার জন্য পেস আক্রমণের পাশাপাশি স্পিন বিভাগকেই অন্যতম প্রধান চাবিকাঠি হিসেবে দেখছেন তাঁরা।
বিশ্লেষণে দেখা যায়, উপমহাদেশীয় কন্ডিশনে স্পিনের কার্যকারিতা বাড়ানোর জন্য বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মূল স্পিনার হিসেবে থাকছেন অভিজ্ঞ লেগ স্পিনার অ্যাডাম জাম্পা, যিনি দলের মূল ভরসা। তাঁকে সহায়তা করতে দলে আনা হয়েছে ম্যাথু কুনেম্যান এবং তরুণ কুপার কনোলিকে। ব্যাটিং লাইনআপে থাকছেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ও ম্যাথু শর্ট, যারা অফ-স্পিন অলরাউন্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। অস্ট্রেলিয়া দলে আবারও ফিরিয়ে এনেছে প্যাট কামিন্স এবং ক্যামেরন গ্রিনকে, যারা সাম্প্রতিক সময় ভারত সফরে দলের সঙ্গে ছিলেন না। তাদের ফিরে আসায় দলের শক্তি আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
নির্বাচিত ১৫ সদস্যের স্কোয়াডে নেতৃত্ব দেবেন মিচেল মার্শ, যার সঙ্গে থাকবেন জেভিয়ার বার্টলেট, কুপার কনোলি, প্যাট কামিন্স, এবং টিম ডেভিড। পেস আক্রমণে থাকছেন কামিন্সের সঙ্গে জোশ হ্যাজলউড, নাথান এলিস এবং ক্যামারন গ্রিন। ব্যাটিং অর্ডারে থাকবেন ট্রাভিস হেড, জশ ইংলিসের মতো ধারাবাহিক ব্যাটাররা, যার পাশাপাশি মিডল অর্ডারে শক্তি যোগান দেবেন মার্কাস স্টয়নিস। স্পিনে বিশেষজ্ঞ হিসেবে থাকবেন ম্যাথু কুনেম্যান ও অ্যাডাম জাম্পা। এই দলটি ভারসাম্যপূর্ণ এবং প্রতিযোগিতামূলক, যা অস্ট্রেলিয়াকে আবারো বিশ্বকাপের শিরোপা জেতার আশাবাদী করে তুলেছে। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, স্পিন ও পেসের এই সুন্দর সমন্বয় এসিয়াই কন্ডিশনে অস্ট্রেলিয়াকে অন্যতম ফেভারিট করে তুলবে।






