বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) চলমান দ্বাদশ আসরের সূচিতে বড় পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই আসরে চট্টগ্রামে কোনও ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে না।Originally scheduled to be held at জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে, ম্যাচগুলো এখন সিলেট এবং ঢাকার ভেন্যুগুলোর মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইফতেখার রহমান মিঠু আজ বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) এই সংশোধিত সূচি নিশ্চিত করেছেন।
প্রথমে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, ৫ জানুয়ারি থেকে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত চট্টগ্রামের সাগরিকা স্টেডিয়ামে বিপিএলের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু লজিস্টিক এবং ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সমস্যার কারণে বিসিবি এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে। ইফতেখার রহমান মিঠু জানান, পরিস্থিতির কারণে টুর্নামেন্টটি শুধু দুটি ভেন্যুতে সম্পন্ন করা হবে। চট্টগ্রামের ক্রিকেটপ্রেমী ও সংশ্লিষ্ট ম্যানেজমেন্টের কাছে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছেন তিনি, কারণ দর্শকদের জন্য খেলা দেখার সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে।
নতুন সূচি অনুযায়ী, চলমান সিলেট পর্বের ম্যাচগুলো ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত বনভূমি চলবে। এরপর, ১৩ জানুয়ারি সব দল ঢাকায় ফিরবে। একদিন বিরতির পর, ১৫ জানুয়ারি থেকে মিরপুর শেরে-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হবে ফাইনাল পর্ব।
বিপিএলের প্লে-অফের সূচিও পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৯ জানুয়ারি একদিনে দুটি ম্যাচ—এলিমিনেটর এবং প্রথম কোয়ালিফায়ার—অন্যদিকে, দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ২১ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। চূড়ান্ত ম্যাচ বা ‘গ্র্যান্ড ফাইনাল’ অনুষ্ঠিত হবে ২৩ জানুয়ারি। ম্যাচগুলো যাতে বৃষ্টিপাত বা কুয়াশার কারণে পণ্ড না হয়, তাই প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের জন্য ‘রিজার্ভ ডে’ বা অতিরিক্ত দিন বরাদ্দ করা হয়েছে।
এ বছর মোট ছয়টি দল লড়ছে শিরোপার জন্য—ঢাকা ক্যাপিটালস, সিলেট টাইটানস, চট্টগ্রাম রয়্যালস, রংপুর রাইডার্স, রাজশাহী ওয়ারিয়র্স এবং নবাগত নোয়াখালী এক্সপ্রেস। সূচির এই পরিবর্তনের ফলে ক্রিকেটারদের ভ্রমণের ধকল কিছুটা কমবে বলে আয়োজকরা মনে করছেন। বর্তমানে সিলেটে অবস্থানরত দলগুলো এই নতুন সূচি অনুযায়ী নিজেদের প্রস্তুতিতে মনোযোগী হয়েছে। বিপিএলের উত্তেজনা বজায় রাখতে মিরপুরের গ্যালারিতে দর্শকদের উপচে পড়া ভিড় হবে বলে আশাবাদী বিসিবি।






