বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন যে, প্রয়াত নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দেখানো পথ অনুসরণ করেই তারেক রহমান দেশকে নতুন দিগন্তের দিকে নিয়ে যাবেন। তিনি শনিবার সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বেগম খালেদা জিয়ার কবরে চিরনিদ্রায় শায়িত সম্মানার্থে জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপের সময় এ মন্তব্য করেন। রিজভী বলেন, খালেদা জিয়ার আদর্শ ও নৈতিকতাকে ধরে রেখে দেশের গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা সম্ভব, পাশাপাশি জাতীয় পতাকা এবং স্বাধীনতার সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে এই নীতিই মূল। এ সময় দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ ও জ্যেষ্ঠ সাধারণ সম্পাদক হেলেন জেরিন খানের সঙ্গে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
রিজভী আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ সাড়ে চার দশক ধরে দেশের মানুষের অধিকার ও গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছেন। তার এ সংগ্রাম ও লড়াই এখন তার সুযোগ্য উত্তরসূরি তারেক রহমানের হাতে। তার নেতৃত্বে দেশের জাতীয়তাবাদী শক্তি নতুন এক দিক উন্মোচন করবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর রেখে যাওয়া অঙ্গীকার ও আদর্শকে জনসম্মুখে তুলে ধরাই এখন দলের মূল লক্ষ্য। রিজভী অনুযোগ করে বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশে মিথ্যা মামলায় বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে বন্দী করে রাখে, তাকে সুচিকিৎসা না দিয়ে এক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত করতে চেয়েছে। তবে তার অটুট মনোবল ও দেশপ্রেমের শক্তি তাকে সব বাধা অতিক্রম করে রেখেছে।
তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার চরিত্রের অনন্য দিকগুলো তুলে ধরে জানান, তিনি হাজারো ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক আক্রমণের মুখেও কখনো কুরুচিপূর্ণ ভাষা ব্যবহার করেননি। তার বিনয়, মার্জিত আচরণ ও আত্মসংযম প্রমাণ করে যে, যারা নোংরা ভাষা ব্যবহার করে তারা জনগণের কাছে অবজ্ঞিত, আর যারা সৌজন্যবোধ বা মানবীয় মর্যাদা বজায় রাখে, তাদেরই মহিমান্বিত করে ইতিহাস। রিজভী বিশ্বাস করেন, খালেদা জিয়ার এই দৃঢ় মনোবল ও অটল ধৈর্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এক অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। এই শোকাবহ সময়ে, তাঁরা প্রত্যেকে তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার শপথ নিয়েছেন, যা সংবাদমাধ্যমের কাছে তিনি ব্যক্ত করেন।






