সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে গত রাতে রিয়াল মাদ্রিদ বেতিসের বিপক্ষে একটি দাপুটে পারফরম্যান্স দেখিয়েছে, যা নতুন বছর ২০২৬ কে শুভ সূচনার স্বাদ এনে দিয়েছে। দলের প্রধান তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে চোটের কারণে মাঠের বাইরে থাকলেও, তরুণ ফুটবলার গনসালো গার্সিয়া পুরো ম্যাচে নিজেদের সামর্থ্য prove করে দেখিয়েছেন। চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৩৪ গোল করা এমবাপ্পের অভাব যেন স্পষ্ট নয়, কারণ ২১ বছর বয়সী এই স্প্যানিশ তারকা একাই জ্বলে উঠেছেন। তিনি এক নজর হ্যাটট্রিক করে রিয়ালের রক্ষণভাগকে ধ্বংস করে দিয়েছেন, যা মাদ্রিদ সমর্থকদের মনে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
ম্যাচের শুরু থেকেই রিয়াল মাদ্রিদ শক্তিশালী আক্রমণে এগিয়ে যায় এবং ২০তম মিনিটে গার্সিয়ার গোলের মাধ্যমে প্রথম লিড পায়। বিরতির পরে, ৫০তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে দলের অবস্থান আরও শক্তিশালী করেন এই তরুণ প্রতিভা। এরপর রাউল আসেনসিওর গোল দলের ওপর প্রভাব বিস্তার করে, যা ছিল তার ক্যারিয়ারে প্রথম জয়যাত্রা রিয়াল জার্সিতে। যদিও মাঝপথে কুচো হার্নান্দেজ বেতিসের হয়ে একটি গোল শোধ দেন, তবুও ম্যাচের দাপট সঙ্গী ছিল রিয়ালের।
খেলাটির শেষের দিকে ৮২তম মিনিটে গনসালো গার্সিয়া নিজের হ্যাটট্রিক সম্পন্ন করেন এক অনবদ্য ব্যাক হিল শটে। অদ্ভুতভাবে, এই ম্যাচে তিনি ডান পা, বাম পা এবং মাথার মাধ্যমে গোল করে ফুটবল বিশ্বে ‘নিখুঁত হ্যাটট্রিক’ এর নতুন নজির স্থাপন করেন। এরপর, অতিরিক্ত সময়ে ফ্রান গার্সিয়া পঞ্চম গোল করে ম্যাচের শেষ বলে দেন। ৫-১ গোলের এই বিশাল জয়ের ফলে, রিয়াল মাদ্রিদ সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে চতুর্থ জয় লাভ করে।
এই জয়ের ফলে লা লিগার পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষস্থানীয় বার্সেলোনার সঙ্গে পয়েন্টের ব্যবধান কমে দাঁড়াল চার। এখন শিরোপা লড়াই আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে, ছয়টি জয় নিয়ে থাকা বেতিস এই পরাজয়ের পরও ষষ্ঠ স্থানে রয়ে গেছে। তবে, বার্নাব্যুর এই রাতটি গনসালো গার্সিয়ার অসামান্য সাহসিকতা এবং তার দক্ষতার জন্যই ফুটবল ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।






