বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী ১১ জানুয়ারি থেকে দেশের উত্তরাঞ্চলের ৯টি জেলায় ব্যাপক গণঅভ্যুত্থানে শহীদ এবং মওলানা ভাসানীর কবর জিয়ারতের জন্য সফরে যাচ্ছেন। গতকাল বুধবার দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সফরের বিস্তারিত কর্মসূচি জানানো হয়। মূল লক্ষ্য হলো ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংগঠিত গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া ‘জুলাই যোদ্ধা’ এবং দীর্ঘ সময় ধরে দেশব্যাপী চলা গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আত্মদানকারী শহীদদের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন। পাশাপাশি, সদ্য প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিভিন্ন দোয়া মাহফিলেও তারেক রহমান উপস্থিত থাকবেন।** সফরের সূচি অনুযায়ী, তিনি ১১ জানুয়ারি ঢাকা থেকে রওনা দেবেন। পথে গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জে দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় ও সমাবেশ করবেন। এরপর বগুড়ায় পৌঁছে সেখানে রাত্রিযাপন করবেন। পরের দিন ১২ জানুয়ারি, তিনি বগুড়া থেকে ঠাকুরগাঁও পর্যন্ত বিভিন্ন জেলায় সংগঠনের কার্যক্রমে অংশ নেবেন। রংপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শহীদ আবু সাঈদের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও বিশেষ মোনাজাতের কর্মসূচিও রয়েছে।** ১৩ জানুয়ারি, সে দিন তিনি পঞ্চগড়, নীলফামারী, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলায় তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে বৈঠক ও সমস্যা-সমঝোতা করবেন, সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা শুনবেন। শেষ দিন ১৪ জানুয়ারি, রংপুর ও বগুড়ায় কিছু দাপ্তরিক ও জনহিতকর কাজ শেষে ঢাকা ফিরে আসবেন।** এই সফরে তারেক রহমান মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীসহ দেশের মহান ব্যক্তিদের মাজারে গমন করবেন এবং নিহত Julho যোদ্ধাদের পরিবার ও শহীদদের পরিবারের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করবেন। বিএনপি সূত্রে জানানো হয়েছে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে এই সফরে নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘনের কোনও বিষয় হবে না। তিনি নিজে সব নিয়ম-কানুন মেনে চলবেন এবং দলের নেতাকর্মীদেরও শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই উত্তরাঞ্চলীয় সফর বিএনপির সংগঠনিক শক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি সাধারণ ভোটারদের মনেও পজিটিভ প্রভাব ফেলবে। বিশেষ করে শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর এই মানবিক উদ্যোগ সাধারণ মানুষের হৃদয়ে দলের ইতিবাচক ইমেজ উজ্জ্বল করবে। বর্তমানে সফরের জেলাগুলোতে উৎসাহবাজারে পরিণত হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসন নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করছে।






