বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ জানিয়েছেন, আইপিও (প্রাথমিক গণপ্রস্তাব) সম্পর্কিত নতুন নিয়মগুলো এখন যুগের সঙ্গে অত্যন্ত তাল মিলিয়ে তৈরি হওয়ায় পুঁজিবাজারে নতুন উন্নত এবং ভালো কোম্পানি আসার সুযোগ অনেক বেড়ে গেছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এর ফলে বাজারে স্বচ্ছতা ও আস্থারahanan আরও বৃদ্ধি পাবে, বস্তুতপক্ষে সুস্থ ও শক্তিশালী কোম্পানি সূচনা হবে বাজারে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিএসইসির ভবনে বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) নবনির্বাচিত নির্বাহী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় তিনি উল্লেখ করেন যে, বিএমবিএ এর অন্যতম দায়িত্ব হলো ইস্যু ম্যানেজমেন্ট, আন্ডাররাইটিং ও পোর্টফোলিও ম্যানেজমেন্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করা। বিএসইসি ও বাজারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কঠোর প্রচেষ্টা ও পরিশ্রমের ফলস্বরূপ সম্প্রতি এই আইপিও রুলস গেজেটে প্রকাশিত হয়েছে ও কার্যকর হয়ে উঠেছে।
খন্দকার রাশেদ মাকসুদ আরো বলেন, বিএমবিএ এবং এর সদস্যরা এখানে ভালো কোম্পানিগুলোর পুঁজিবাজারে আলোচনার শুরু করবে। বিএসইসি সবসময়ই ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে এই প্রক্রিয়ার সমর্থক, এবং নিশ্চিত করবে যে, বাজারে শক্তিশালী এবং যোগ্য কোম্পানিগুলো তালিকাভুক্তিতে সুবিধা পাবে।
এছাড়াও তিনি গুরুত্ব দেন পুঁজিবাজারে ক্যাপিটাল ফরমেশন, পোর্টফোলিও ম্যানেজমেন্ট ও করপোরেট অ্যাডভাইজরিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের মার্চেন্ট ব্যাংকের সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর। এমতাবস্থায়, মার্চেন্ট ব্যাংকের দক্ষতা ও নৈতিক মান উন্নয়ন হলে বিনিয়োগকারী এবং বাজারের সব সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মধ্যে বাজারের প্রতি আকর্ষণ ও আস্থা বৃদ্ধি পাবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সভায় বক্তব্য দেন বিএসইসির কমিশনার মু. মোহসিন চৌধুরী, মো. আলী আকবর, ফারজানা লালারুখ, মো. সাইফুদ্দিনসহ অন্যান্য কমিশনাররা। এ সময় বক্তারা বলেন, প্রতিটি মার্চেন্ট ব্যাংক ও তাদের সংগঠনের জন্য তথ্যসমৃদ্ধ ও আধুনিক ওয়েবপেজ এবং ওয়েবপোর্টাল থাকা জরুরি। এর মাধ্যমে বিনিয়োগকারী ও বাজারের অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি হবে এবং তারা আরও সাবলীলভাবে বাজারে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএমবিএ এর সভাপতি ইফতেখার আলম, সাধারণ সম্পাদক সুমিত পোद्दার, সহ-সভাপতি মো. মনিরুল হক, কোষাধ্যক্ষ সৈয়দ রাশেদ হুসাইন, সদস্য গাজী মুহাম্মদ তারেক, সুমন কুমার কুন্ডু ও মো. সোহেল হক।






