বিলবাওকে ৫-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে স্প্যানিশ সুপার কাপের ফাইনালে উঠেছে বার্সেলোনা। সৌদি আরবের মরudderে চলমান এই প্রথম সেমিফাইনালে, কোচ হানসি ফ্লিকের অধীনে আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠেছে কাতালান দল। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা আট ম্যাচে জয় লাভের পর, তারা এই আসরে দারুণ প্রত্যাশা নিয়ে এসেছে। অন্যদিকে, সাবেক বার্সেলোনা কোচ এর্নেস্তো ভালভের্দের অধীনে বিলবাও এখন দুর্বল অবস্থায় রয়েছে; চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে নেমে আসার শঙ্কায় এই দলটির জন্য বার্সেলোনার জয় ছিল বেশ প্রত্যাশিত। তবে প্রথমার্ধেই মাত্র ১৬ মিনিটের মধ্যে এক বিধ্বংসী আক্রমণে বিলবাওকে লণ্ডভণ্ড করে দেয় বার্সেলোনা, যা ফুটবল ভক্তদের চোখ কপালে তুলে দেয়। ম্যাচের ২২ থেকে ৩৮ মিনিটের মধ্যে তারা চারবার প্রতিপক্ষের জাল কাঁপিয়ে প্রথমার্ধেই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়। দিনের সবচেয়ে বড় বিস্ময় ছিল তরুণ প্রতিভা রুনি বার্দাগির পারফরম্যান্স। দলের গুরুত্বপূর্ণ তারকা লামিন ইয়ামালকে বেঞ্চে রেখে মাঠে নামা রুনি তার প্রতিভার প্রমাণ দেন পুরো ম্যাচে। তিনি এক গোলের পাশাপাশি রাফিনিয়াকে দিয়ে দুটি গোল করেন, যেন ম্যাচের অন্যতম আলোচনায় পরিণত হন। ২২ মিনিটে নিজের আক্রমণ থেকে বল পেয়ে ফেরি মেনে প্রথম গোল করেন, এরপর ৩৩ মিনিটে একক দৃষ্টান্তের মাধ্যমে পার্থক্য দ্বিগুণ করেন এবং ৩৮ মিনিটে রাফিনিয়াকে দিয়ে তৃতীয় গোলটি করেন। বিরতির পরে, দাপট ধরে রেখে ৫১ মিনিটে রাফিনিয়া নিজের দ্বিতীয় ও দলের পঞ্চম গোলটি করলে বিলবাওয়ের পতন নিশ্চিত হয়। এই অনমনীয় নৈপুণ্যের মাধ্যমে বার্সেলোনা এখন ফাইনালের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। শিরোপার লড়াইয়ে তাদের প্রতিপক্ষ কে হবে, তা জানা যাবে আজ রাতের দ্বিতীয় সেমিফাইনালের পর, যেখানে মুখোমুখি হবে রিয়াল মাদ্রিদ ও আতলেতিকো মাদ্রিদ। জয়ী দলের বিপক্ষে আগামী ১২ জানুয়ারি সৌদি আরবের মাটিতে অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল। বার্সেলোনার এই দাপুটে ফর্ম ও প্রমাণিত শক্তি দেখে ফুটবল বিশ্লেষকরা তাদেরকে শিরোপার অন্যতম প্রার্থী হিসেবে দেখছেন। ইয়ামালের না থাকা সত্ত্বেও দলের এই অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখিয়ে দিয়েছেন বেঞ্চের শক্তি। এখন ফুটবল বিশ্ব প্রহর গুনছে একটি ক্ল্যাসিক এল-ক্ল্যাসিকো ফাইনাল দেখার জন্য।






