২০২৪ সালের julho মাসে গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী নতুন বাংলাদেশের স্বপ্নের নীলনকশা বাস্তবায়নে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় রাজনৈতিক অংশগ্রহণ এবং পলিসি ভিত্তিক আলোচনা আরও বেশি অংশগ্রহণমূলক ও তরুণপ্রজন্মের সাথে সংযুক্ত করার জন্য চালু হয়েছে একটি নতুন ইন্টারেক্টিভ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম—‘ম্যাচ মাই পলিসি’। গত শনিবার (১০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় তারেক রহমানের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে এই ওয়েব অ্যাপের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। এটি বাংলাদেশের রাজনীতিতে এর আগে কখনো এরকম নমুনা দেখা যায়নি, যেখানে একটি রাজনৈতিক দল জনমত যাচাই ও নীতিনির্ধারণে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করছে। এই নব উদ্ভাবন তরুণ প্রজন্মের চিন্তাভাবনা ও মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।
এই ওয়েব অ্যাপটির মূল বিশেষত্ব হলো এর সহজ, পরিচিত এবং ব্যবহারযোগ্য সোয়াইপভিত্তিক ইন্টারফেস। এর মাধ্যমে সাধারণ ব্যবহারকারীরা বিএনপির প্রস্তাবিত বিভিন্ন রাষ্ট্রনৈতিক নীতি, সংস্কার পরিকল্পনা ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেখার সুযোগ পাবেন। সোয়াইপ করে চোখে চোখে নিজের মতামত জানানো একটি সহজ ও ত্বরিত পদ্ধতি, যা তরুণদের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী। পাশাপাশি, যদি কারো কোনো নীতি বা পরিকল্পনা নিয়ে ভিন্ন ধারণা বা পরামর্শ থাকে, তবে সেখানে উপযুক্ত ‘অপিনিয়ন’ (Opinion) সেকশনও রয়েছে। এই সেকশনের মাধ্যমে নাগরিকরা সরাসরি লিখিত মতামত দিতে পারবেন, যা দলের নীতি নির্ধারণে সহায়ক হবে।
‘ম্যাচ মাই পলিসি’ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো সাধারণ মানুষের, বিশেষ করে শিক্ষিত ‘জেন-জি’ তরুণ সমাজের সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। বিএনপি বিশ্বাস করে, এই অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়া থেকে পাওয়া মতামত নিঃসন্দেহে ভবিষ্যতের নীতিগুলোর জন্য অধিক প্রাসঙ্গিক, কার্যকর ও গণমুখী অবস্থান তৈরি করবে। এটি কেবল প্রযুক্তিগত এক উদ্যোগ নয়, বরং বাংলাদেশে নতুন এক রাজনৈতিক সংস্কৃতির সূচনা করবে—যেখানে অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্রের আলো ফুটবে।
অ্যাপটির শেষ ভাগে বিভিন্ন তথ্যবহুল কনটেন্ট ও বিশ্লেষণ উপস্থাপন করা হয়েছে, যা জনগণকে বিএনপির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, নীতি ও ভাবনা সম্পর্কে আরও সুস্পষ্ট ধারণা দিতে সহায়তা করবে। দলের অভিমত, প্রত্যেকটি মতামতই দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ আরও গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিতামূলক এক ধরনের রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করবে—একটি নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।





