আইসিসি ওয়ানডে ব্যাটারদের র্যাংকিংয়ে আবারও আধিপত্য বিস্তার করেছেন ভারতীয় ক্রিকেটের অন্যতম মহাতারকা বিরাট কোহলি। বুধবার প্রকাশিত নতুন র্যাংকিংয়ে দেখা যায়, তিনি আবারও এক নম্বর স্থান দখল করে নিয়েছেন। এ ঘটনা অব্যাহত থাকলেই তিনি মোট ১১ বার এই শীর্ষস্থান অর্জন করলেন, যা তার ক্রিকেট ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় সফলতা। ২০১৩ সালে প্রথমবারের মতো ওয়ানডে র্যাংকিংয়ের শীর্ষে উঠেছিলেন এই ব্যাটার, এরপর কিছু সময় বিরতিতে থাকলেও আবারও নিজের পুরনো গৌরব ফিরে পেয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি ২০২১ সালের জুলাইয়ের পর এই প্রথম ওয়ানডে ব্যাটারদের তালিকার সবার উপরে অবস্থান করছেন।
বিরাট কোহলির মাঠের পারফরম্যান্স সবসময়ই রেকর্ড গড়ার মতো। সম্প্রতি তার ফর্ম দেখলে বোঝা যায়, তিনি এখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সবচেয়ে সফল ব্যাটারদের একজন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার রেকর্ড ২৮ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছে, যা তাকে দ্বিতীয় জন হিসেবে দরজার কাছাকাছি নিয়ে এসেছে, কেবল কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারের চেয়ে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে যদি সেঞ্চুরি মিস করেন, তারপরেও তিনি ৯৩ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে র্যাংকিংয়ের শীর্ষস্থান নিশ্চিত করেছেন।
বিরাটের ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের মধ্যে রয়েছে উল্লেখযোগ্য কিছু ইনিংস। অস্ট্রেলিয়া দলের বিপক্ষে সিডনিতে ৭৪ রান, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে যথাক্রমে ১৩৫, ১০২ ও ৬৫ রান করে তিনি বিশ্বের শীর্ষ ব্যাটারদের তালিকায় তার অবস্থান আরও শক্ত করে ফেলেছেন। এই ধারাবাহিক স্কোর তাকে সর্বমোট ৮২৫ দিন র্যাংকিংয়ের শীর্ষে থেকে গৌরব অর্জন করতে সাহায্য করেছে। বিশ্বজুড়ে দীর্ঘসময় ধরে শীর্ষে থাকা ব্যাটারদের তালিকায় তিনি দশম স্থানে থাকলেও, ভারতের ব্যাটারদের মধ্যে তিনি ছিল শীর্ষে।
অন্যদিকে, কোহলির এই অসাধারণ জনপ্রিয়তা ও শীর্ষস্থান পাওয়ার ফলে তার সতীর্থ, ভারতের অধিনায়ক রোহিত শর্মার র্যাংকিংয়ে কিছুটা ধাক্কা লেগেছে। এখন তিনি দুই ধাপ নিচে নেমে তিন নম্বর পজিশনে রয়েছেন, এবং কোহলির চেয়ে ১০ পয়েন্ট পেছনে। অন্যদিকে, নিউজিল্যান্ডের ড্যারিল মিচেল উঠে এসেছেন দ্বিতীয় স্থানে, এবং কোহলির থেকে মাত্র এক পয়েন্ট পিছনে অবস্থান করছেন। পাশাপাশি, আইসিসির ওয়ানডে বোলারদের র্যাংকিংয়ে শীর্ষে থাকছেন রশিদ খান। টি-টোয়েন্টি স্কোরে পাকিস্তানের সাইম আইয়ুবের থেকে শীর্ষ অলরাউন্ডার হিসেবে উঠে এসেছেন জিম্বাবুয়ের সিকান্দার রাজা।






