দেশের শেয়ারবাজারের প্রধান কেন্দ্র, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারের দরপতন সত্ত্বেও মোট মূলধন এবং লেনদেনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বাজার হচ্ছে এমন এক পরিস্থিতি যেখানে সূচক সামান্য পতন হলেও বিনিয়োগকারীরা সক্রিয় থেকে অর্থনৈতিক কার্যক্রম চালিয়ে গেছেন।
বাজারের সূচকের দিকে তাকালে দেখা যায়, দিনের শুরুতে বিনিয়োগকারীদের শেয়ার কেনার আকাক্সক্ষা থাকায় সূচক কিছুটা বৃদ্ধির দিকে গিয়েছিল। তবে বিকেলের দিকে বিক্রির চাপ বাড়তে থাকায় দাম হারাতে থাকে। ফলে, প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৭.৫২ পয়েন্ট হ্রাস পেয়ে ৪ হাজার ৯৫৮.৯৮ পয়েন্টে অবস্থান নেয়। প্রথম ১৭ মিনিটে সূচক কিছুটা বাড়লেও, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই গতি শ্লথ হয়ে এসে শেষ পর্যন্ত নেতিবাচক ধারায় চলে যায়। অন্যদিকে, ডিএসইএস সূচক ১.৮৭ পয়েন্ট কমে ৯৯৫.৯২ পয়েন্টে দাঁড়িয়ে থাকলেও, ব্যতিক্রমধর্মীভাবে ডিএস৩০ সূচক ৪.৫০ পয়েন্ট বেড়ে ১৯১২.৭১ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে।
আচরণ বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই দিন ডিএসইর ৩৯০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শুধুমাত্র ১০২টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে, ২২০টির শেয়ারের দর কমেছে এবং ৬৮টির দর অপরিবর্তিত ছিল। যদিও সূচকের সামান্য পতন ঘটেছে, তবে মোট বাজার মূলধন এবং লেনদেনের পরিমাণে ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে।
গত বুধবারের তুলনায়, বৃহস্পতিবার ডিএসইর মোট মূলধন ১৫৯৪ কোটি টাকা বেড়ে ৬ লাখ ৮৪ হাজার ৪৪০ কোটি ৫৪ লাখ টাকায় পৌঁছেছে। একই সঙ্গে, দিনের লেনদেনের মোট পরিমাণ ৩৬৯ কোটি ৬৭ লাখ টাকা থেকে বেড়ে ৩৭৯ কোটি ৮০ লাখ টাকায় উন্নীত হয়েছে, যা বাজারে বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তার প্রমাণ দেয়। এই সব তথ্য থেকে বোঝা যায়, শেয়ার বাজারের এই সাময়িক পতনের পরেও বিনিয়োগকারীরা অর্থনীতির প্রতি আস্থাশীল এবং তারা সক্রিয়ভাবে বাজারে অংশগ্রহণ চালিয়ে যাচ্ছেন।






