আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে সৃষ্টি হওয়া সংশয় এখনো কাটেনি। নিরাপত্তা ঝুঁকি ও logistical চ্যালেঞ্জের কারণে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) বারবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) কাছে অনুরোধ জানিয়ে আসছে, বাংলাদেশে বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজনের জন্য। এরই মধ্যে গ্রুপ পরিবর্তনের সম্ভাবনা নিয়ে অনেকের মধ্যে গুঞ্জন ছড়িয়েছে, বিশেষ করে শ্রীলঙ্কার মতো দেশের পাশে থাকা দলের সঙ্গে বাংলাদেশকে এক গ্রুপে রাখার পরিকল্পনা ছিল। তবে এখন জানা গেছে, ক্রিকেট আয়ারল্যান্ড পরিষ্কারভাবে জানিয়েছে যে, বাংলাদেশের সঙ্গে গ্রুপ বদলের কোনো সম্ভাবনা নেই। তারা নিশ্চিত করেছে যে, তাদের সূচি অপরিবর্তিত থাকবে এবং বাংলাদেশের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় না হয়ে ভারতের কলকাতা ও মুম্বাইতে অনুষ্ঠিত হবে। আয়ারল্যান্ডের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে এক মুখপাত্র বলেছেন, তারা আইসিসির কাছ থেকে নিশ্চিত নিশ্চিতকরণ পেয়েছেন যে, তাদের পরিকল্পনা পরিবর্তিত হবে না। শনিবার ঢাকায় বিসিবি ও আইসিসির মধ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভায় এই বিষয়টি গুরুত্বের সাথে আলোচিত হয়। বৈঠকে উভয় পক্ষ গঠনমূলক আলোচনায় লিপ্ত হয় বলে বিসিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়। তারা বাংলাদেশকে অন্য কোনো গ্রুপে অন্তর্ভুক্ত করার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন, তবে পরে বুঝতে পারা যায় যে, আয়ারল্যান্ডের আপত্তির কারণে সেই পরিকল্পনা এখন কার্যকর হচ্ছে না। নিজেদের উদ্বেগ ও মতামত জানাতে বিসিবি আইসিসির কাছে বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে, বাংলাদেশে বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে শ্রীলঙ্কায় আয়োজনের জন্য। এই বিষয়ে, বাংলাদেশ সরকারের দিক থেকেও নিরাপত্তা ও সুরক্ষার বিষয়টি স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। যদিও এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বিষয়ক কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি, তবে দুপক্ষই আলোচনায় সন্তোষজনক অগ্রগতি সাধন করছে। এই পরিস্থিতিতে, আইসিসির ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের জেনারেল ম্যানেজার অ্যান্ড্রু এফগ্রেভ ঢাকায় এসে সরাসরি বৈঠকে অংশ নেন। এসময় তাঁর সঙ্গী ছিলেন আইসিসির ইভেন্ট ও কর্পোরেট কমিউনিকেশন্সের জেনারেল ম্যানেজার গৌরভ সাক্সেনার, যিনি ভিসা জটিলতার কারণে ভার্চুয়ালি যোগ দেন। বিডির নেতৃত্ব দেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল, উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন ও ফারুক আহমেদ, ক্রিকেট অপারেশনস বিভাগের চেয়ারম্যান নাজমুল আবেদিন ফাহিম ও সিইও নিজাম উদ্দিন চৌধুরী। এই আলোচনায় সকলের আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্ব প্রকাশ পেয়েছে, যা ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক দিশার সূচনা বলে মনে করা হচ্ছে।






