গাজার যুদ্ধ বন্ধ ও উপত্যকাটির পুনর্গঠনের লক্ষ্য নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে গঠিত ‘বোর্ড অব পিস’ আগামী দিনগুলোতে জাতিসংঘের সম্পূর্ণ বিকল্প হিসেবে কাজ করতে পারে বলে ধারণা প্রকাশ করছেন বিশ্লেষকরা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই এই নতুন উদ্যোগের ঘোষণা দিয়ে বলেছেন, এই বোর্ড বিশ্ব শান্তির জন্য কার্যকর একটি প্ল্যাটফর্ম হতে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেছেন, এই বোর্ডের মাধ্যমে শুধু গাজা সংকট নয়, সার্বজনীনভাবে আন্তর্জাতিক শান্তি প্রতিষ্ঠার ব্যাপারেও বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে।
বিশ্ববিখ্যাত সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, এই বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে কারিগরি দায়িত্বে থাকবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে, তিনি এই পদে অনির্দিষ্টকালের জন্য বহাল থাকবেন এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার মেয়াদ শেষ হলেও, তিনি এই নেতৃত্ব চালিয়ে যেতে পারবেন। মূলত গাজা সংকটের সমাধান ও বিশ্ব শান্তি নিশ্চিতকরণের উদ্দেশ্যে এই বোর্ড গঠন হলেও তার কার্যক্রমের ব্যাপ্তি ধীরে ধীরে আরও বিস্তৃত হচ্ছে, যা ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
এই সংস্থায় সদস্যপদ লাভের জন্য আগ্রহী দেশগুলোকে এক বিলিয়ন ডলার বা ১০০ কোটি ডলার অনুদান দিতে হবে—এমনই এক নীতিমালা চালু করেছে বোর্ড। ইতিমধ্যেই সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন এই সদস্যপদে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। অর্থের বিনিময়ে বিশ্ব শান্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার এই প্রক্রিয়া কূটনৈতিক মহলে বেশ আলোচনা তৈরি করেছে।
বিশ্বের বিভিন্ন শীর্ষ রাষ্ট্রপ্রধানদের বোর্ডে যোগ দেওয়ার জন্য ডোনাল্ড ট্রাম্প সাধারণ আহ্বান জানিয়েছেন। এর মধ্যে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, যা পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে অস্থিরতা বাড়িয়ে দিয়েছে। পুতিনের ইউক্রেন যুদ্ধ চালানো অবস্থায় এই নিরাপত্তা পরিষদে তার উপস্থিতি কোনোভাবে অপ্রত্যাশিত নয়, বরং বৃহস্পতিবারের এই ঘোষণা আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও উপমহাদেশে নতুন অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।






