শুক্রবার সরস্বতী পূজার এক পবিত্র মুহূর্তে জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করলেন পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মধুমিতা সরকার। দীর্ঘ পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রেমের সম্পর্কে থাকার পর অবশেষে তিনি তাঁর প্রেমিক দেবমাল্য চক্রবর্তীর সঙ্গে কাগজ-কলমে ও ধর্মীয় রীতিনীতি মেনে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। মধুমিতার জীবনসঙ্গী দেবমাল্য একজন সফটওয়্যার প্রকৌশলী, যার নিজেকে ভ্রমণপ্রিয় মানুষ হিসেবেও পরিচিত। এর আগে, ১৮ জানুয়ারি তাঁদের বাগদান সম্পন্ন হয়েছিল, যা তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি শেয়ার করে ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছিলেন, ক্যাপশনে লিখেছিলেন ‘শুধুই আমার’।
বিবাহের দিন মধুমিতা ঐতিহ্যবাহী লাল বেনারসি পরেছিলেন, সঙ্গে সোনার গয়না ও নিখুঁত চন্দনের কারুকাজে সাজে তিনি সত্যিই এক অপূর্ব বাঙালি কনে। পর্দার নানা বিয়ের দৃশ্যের সঙ্গে এই বাস্তব জীবনের মুহূর্তের অনেক পার্থক্য রয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি অগোচর আবেগে বলেন, ‘পর্দার বিয়ের সঙ্গে এটা কোনভাবেই তুলনা হতে পারে না। নিজের বিয়ে অনেক বেশি স্পেশাল।’ এই আনন্দের মুহূর্তে শিলাদিত্য মৌলিকসহ শোবিজ অঙ্গনের অনেক ঘনিষ্ঠ ও শুভাকাঙ্ক্ষী উপস্থিত ছিলেন, নবদম্পতিকে প্রাণভরে শুভকামনা জানিয়ে।
এটি অভিনেত্রী মধুমিতা সরকারের দ্বিতীয় বিবাহ। এর আগে তিনি নির্মলভাবে বিবাহ করেছিলেন অভিনেতা সৌরভ চক্রবর্তীর সঙ্গে, তবে দীর্ঘ দিন পর তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। বেশ কিছু সময় বিরতি নিয়ে আবারও প্রেমের বন্ধনে আবদ্ধ হন। গত বছর তিনি জানিয়ে ছিলেন যে, ডিসেম্বরে বা জানুয়ারির প্রথম দিকেই তারা সাত পাকে বাঁধতে চান, এবং সেরকম পরিকল্পনা অনুযায়ী সরস্বতী পূজার রাতে তাঁদের বিবাহ সম্পন্ন হয়েছে।






