প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি আশা করছেন, এই নির্বাচনের মাধ্যমে তিনি জনগণের কাছ থেকে একটি নতুন ও শক্তিশালী ম্যান্ডেট পাবেন, যা তাঁকে অভ্যন্তরীণ সংস্কার ও বৈদেশিক নীতির ক্ষেত্রে আরও সাহসী করে তুলবে। তবে বিরোধী দলগুলো দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক সংকটকে কাজে লাগিয়ে ভোটারদের মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টা চালাচ্ছে। ৮ ফেব্রুয়ারির এই নির্বাচনের ফলাফল এখন পুরো দেশের রাজনীতির ভবিষ্যৎ এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।






