চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে দেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাকের আয় প্রায় ২.৪৩ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) এই তথ্য প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, জুলাই মাসের শুরু থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে মোট আয় হয়েছে ২ হাজার ২৯৮ কোটি ২ লাখ ডলার, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় কমেছে। আগের বছর এই সময়ে আয় ছিল ২ হাজার ৩৫৫ কোটি ২০ লাখ ডলার। বিশেষ করে নিটওয়্যার পণ্য থেকে আয় প্রায় ৩.১৩ শতাংশ কমে ১ হাজার ২২৮ কোটি ৯৯ লাখ ডলারে দাঁড়িয়েছে। ওভেন পোশাকের রপ্তানি আয়ও কমেছে ১.৬০ শতাংশ, এবং জানুয়ারিতে এক মাসেই তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৩৬১ কোটি ৪৭ লাখ ডলার, যা গত বছরের জানুয়ারির তুলনায় ১.৩৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে বাংলাদেশ মোট ২৭ ধরনের পণ্য—যেমন তৈরি পোশাক, ওষুধ, চামড়া—উপজিত করে বিশ্ববাজারে রপ্তানি করে আয় করেছে প্রায় ২ হাজার ৮৪১ কোটি ৫০ লাখ ডলার, যা আগের বছরে ছিল ২ হাজার ৯৮৫ কোটি ২০ লাখ ডলার। যদিও তৈরি পোশাক ও কৃষি পণ্যের রপ্তানি কমলেও, হোম টেক্সটাইল ও চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি আয়ে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। হোম টেক্সটাইল খাতের আয় ৩.২৬ শতাংশ বেড়ে ৫০ কোটি ৯৯ লাখ ডলারে দাঁড়িয়েছে, এবং চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের রপ্তানি ৫.৭১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৭০ কোটি ৭২ লাখ ডলারে পৌঁছেছে। তবে উদ্বেগজনকভাবে, কৃষি পণ্য রপ্তানি থেকে আয় ৯.৮৮ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ৬০ কোটি ৭২ লাখ ডলারে নেমে এসেছে। সামগ্রিকভাবে, গত জানুয়ারি মাসে পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৪৪১ কোটি ৩৬ লাখ মার্কিন ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় শূণ্য দশমিক ৫০ শতাংশ কম।






