বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসের এক অসাধারণ ব্যক্তিত্ব, পঞ্চাশ ও ষাটের দশকের শীর্ষস্থানীয় গোলরক্ষক এবং আজাদ স্পোর্টিং ক্লাবের ইতিহাসের এক অসামান্য লিগ জয়ের নায়ক রণজিৎ দাশ আর নেই। এই বীরোচিত ফুটবলার সোমবার সকালে সিলেটের এক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর। তিনি স্ত্রী, চার মেয়ে ও এক ছেলের পরিবারসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী এবং শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন। দেশের শীর্ষ পর্যায়ের ফুটবলারদের মধ্যে তিনি ছিলেন সবচেয়ে প্রবীণ ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব। তার একমাত্র ছেলে রাজীব দাশ এই খবর নিশ্চিত করেছেন।
রণজিৎ দাশের জন্মস্থান ছিল সিলেট, যেখানে তিনি কৈশোর থেকে ফুটবল খেলা শুরু করেন। স্থানীয় জেলা দল থেকেই তার ফুটবল জীবন শুরু হলেও, ১৯৫৫ সালে ঢাকার ইস্পাহানি ক্লাবের হয়ে শীর্ষ লিগে অভিষেক হয় তার। তবে তার ফুটবল ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় সাফল্য ছিল ১৯৫৮ সালে। সেই বছর, আজাদ স্পোর্টিং ক্লাব ঢাকা লিগের শিরোপা জিতেছিল, এবং তারই নেতৃত্বে দলের অধিনায়ক ছিলেন রণজিৎ দাশ। পাশাপাশি, তিনি কিছুকাল মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে খেলতেন। তার খেলা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তিনি মূলত আজাদ স্পোর্টিং ক্লাবের সঙ্গে জড়িয়ে ছিলেন এবং অবসরের পরও বিভিন্নভাবে এই ক্লাবের সাথে সম্পর্ক রেখেছেন।
স্বাধীনতা-পূর্বকালে পূর্ব পাকিস্তানে তিনি এক নম্বর গোলরক্ষক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। মাত্র ৫ ফুট ৪ ইঞ্চির উচ্চতার बावजूद, তার গোলকিপিং দক্ষতা ছিল অভাবনীয়। শৈল্পিক ও দ্রুততার সাথে বল দখলের তার দৃষ্টি-উজ্জ্বল উপস্থিতি ফুটবলপ্রেমীদের মুগ্ধ করত। সাবেক জাতীয় ফুটবলার ও কোচ গোলাম সারওয়ার টিপু একবার বলেছিলেন,






