বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের বেতন, ভাতা এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নির্ধারণের জন্য গঠিত পে-কমিশনের সুপারিশ সংবলিত প্রতিবেদন আজ রাষ্ট্রপতির কাছে পেশ করা হয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনের মাধ্যমে বিচার বিভাগের কর্মচারীদের জীবনমান উন্নয়ন এবং বেতন কাঠামোর আধুনিকায়নের পথ সুপ্রশস্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) এসএম এমদাদুল হকের নেতৃত্বে গঠিত বাংলাদেশের জুডিসিয়াল সার্ভিস পে-কমিশনের একটি প্রতিনিধিদল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক করেন। এই সাক্ষাৎকালে তারা তুলে ধরেন প্রতিবেদনটির সারসংক্ষেপ এবং বর্তমান অর্থনৈতিক পরিপ্রেক্ষিতে বিচারকর্মীদের জন্য যৌক্তিক বেতন-ভাতা নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তা। রাষ্ট্রপতি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে এই সুপারিশগুলো শোনেন এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য বিচারকদের সামাজিক নিরাপত্তা ও আর্থিক স্বচ্ছলতা বজায় রাখার ওপর গুরত্বারোপ করেন। এ সময় রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, সম্প্রতি সরকারের বিভিন্ন পর্যায় থেকে বেতন স্কেল সংক্রান্ত আলোচনা চলছে। এই প্রতিবেদনের প্রেক্ষাপটে জ্বালানি উপদেষ্টা মন্তব্য করেছেন যে, বর্তমানে প্রস্তাবিত এই পে-স্কেল ভবিষ্যতে যদি কোনো নির্বাচিত সরকার চায়, তবে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় পরিবর্তন বা বাতিলের এখতিয়ার তার থাকবে। তবে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছেন, এই বিশেষ পে-কমিশনের সুপারিশগুলো কার্যকর হলে বিচারকদের জন্য আরও গতিশীলতা এবং সততা নিশ্চিত হবে। সরকার এখন এই প্রতিবেদনের সুপারিশগুলো পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে।






