জামায়াতে ইসলামীর নেতারা ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে গিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাকে জঙ্গি ও উগ্রবাদী হিসেবে উপস্থাপন করেছেন—এমন অভিযোগ করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করিম (চরমোনাইর পীর)। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর পুরানা পল্টনে দলীয় কার্যালয়ে ‘জনপ্রত্যাশার ইশতেহার’ ঘোষণা অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। চরমোনাইর পীর বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনো রাজনৈতিক নেতা দেশকে জঙ্গি বা উগ্রবাদী রাষ্ট্র হিসেবে উপস্থাপন করেননি। কিন্তু দুঃখজনকভাবে জামায়াতের নায়েবে আমির আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে গিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বিরুদ্ধে জঙ্গি রাষ্ট্রের অভিযোগ তোলে। তিনি আরও বলেন, জামায়াত নেতারা যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের সঙ্গে গোপনে বৈঠক করেছেন। যদিও বৈঠক হওয়া স্বাভাবিক ব্যাপার, তবে এর গোপন থাকার কারণ কী—সে প্রশ্ন তোলেন তিনি। ভারতের পক্ষ থেকে এমন বৈঠকগুলো ধারাবাহিকতার অংশ বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই ধরনের বৈঠকের খবর আগেও পাওয়া গেছে। রেজাউল করিম বলেন, জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলের নির্বাচনী জোট থেকে ইসলামী আন্দোলনের বেরিয়ে আসার কারণ—তাদের মধ্যে ইসলামি মূল্যবোধ ও ঐক্যের অভাব রয়েছে, যা দেশের জন্যও ক্ষতিকর। তিনি আরও বলেন, যদি নিজেদের মধ্যে সৌহার্দ্য ও ঐক্য না থাকে, তবে সেই জোটের সঙ্গে থাকার মাধ্যমে জনগণ লোভে পড়ে বিভ্রান্ত হবে এবং দেশ যেন আরও অশুভ দিকে এগিয়ে যায়। তাই ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এই জোট থেকে আলাদা হয়ে গেছে এবং সার্বিকভাবে দেশের জন্য ভালো বলে মনে করে।






