অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ স্পষ্ট করে বলেছেন, তিনি এমন কিছু করেননি যাতে পরবর্তী সরকার আসলে কোনও আইনি জটিলতার সম্মুখীন হতে হবে। তিনি তার কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ এবং দায়বদ্ধ থাকছেন বলে জানান। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে তিনি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে নিজের সম্পদের হিসাব জমা দিয়েছেন। নিজ দায়িত্ব পালন ও স্বচ্ছতার ব্যাপারে তিনি বলেন, “আশা করি এমন কিছু করিনি যাতে পরবর্তী সরকারের সময় মামলা বা আইনি জটিলতার মুখোমুখি হতে হয়।” সরকারি দায়িত্বের সময়ে তিনি নিজের কাজের মূল্যায়নে নিজেকে ৭০ শতাংশের বেশি নম্বর দেন। যদিও সব পরিকল্পনা সম্পন্ন করতে পারেননি, তবে তার উদ্যোগগুলো মূলত জনকল্যাণের জন্য ছিল বলে তিনি দাবি করেন। তিনি জানান, একজন উপদেষ্টা হিসেবে নিজেকে তিনি ৭০ বা তার বেশি মার্কস দিতে প্রস্তুত, কারণ আপনি করেননি এমন কিছু নয়, সব কিছুই জনগণের জন্য করেছেন।এছাড়া, দেশের অর্থনৈতিক সংস্কার ও চ্যালেঞ্জের বিষয়ে সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, দেশের অর্থনীতির বৃদ্ধির জন্য স্থানীয় শিল্পের ভিত্তি শক্তিশালী করতে এবং রপ্তানি খাতে নির্ভরতা বাড়াতে হবে। পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনার বিষয়েও তিনি বলেন, পাচারকারীদের গন্তব্য ও জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা গেলেও প্রকৃত পরিমাণ নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব হয়নি। তিনি বলেন, “অনেক টাকা পাচার হয়েছে, সেগুলোর সঠিক পরিমাণ এখনো জানা যায়নি। পরবর্তী সরকার যদি আন্তরিক হয়, তারা এই টাকা ফেরত আনতে পারবে।” তিনি উল্লেখ করেন, পাচারকারীরা অত্যন্ত দক্ষ লোক নিয়োগ করে টাকা সরিয়ে নিয়ে গেছে, যার কারণে এই ব্যাপারটি দীর্ঘমেয়াদী হয়ে পড়েছে।সংক্ষেপে, তিনি পরবর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আগের কাজগুলো অব্যাহত রাখতে হবে। সরকারের বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন বলে তিনি জোর দেন। পাশাপাশি, বর্তমান সময়ের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে জ্বালানি সংকটকে উল্লেখ করে সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে আরও বেশি সমন্বয় এর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।






