মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ৩১ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত তিন দিনের জন্য চীন সফর করবেন। ২০১৭ সালের পর এ প্রথম বারের মতো বেইজিং যাচ্ছেন ট্রাম্প—শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) হোয়াইট হাউস এই সফরের খবর নিশ্চিত করেছে।
হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তা বলেন, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ট্রাম্প ও চীনের রাষ্ট্রপ্রধান শি জিনপিংয়ের মধ্যে যোগাযোগ অনুকূল ছিল। দুই নেতার মধ্যে সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রাখার প্রেক্ষাপটেই এই সফর চূড়ান্ত করা হয়েছে।
পরিকল্পিত সফর প্রসঙ্গে ট্রাম্প বৃহস্পতিবার বলেছেন, ‘‘এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সফর হবে।’’
ট্রাম্পের এই ঘোষণাটি সাময়িকভাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ অভ্যন্তরীণ ঘটনার আগে এসেছে—মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়, যা তার আগে আরোপিত কিছু শুল্ক বাতিল করেছে, বলে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। রায় ও তার প্রভাবকে কেন্দ্র করে বাণিজ্যকৌশল এবং কূটনৈতিক সিদ্ধান্তগুলো বিশেষভাবে পর্যবেক্ষণে থাকবে।
বেইজিং বৈঠকের এজেন্ডায় শুল্ক ইস্যু প্রধান বক্তব্য হয়ে উঠার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক চাপের বিরুদ্ধে চীনের প্রতিক্রিয়া, এবং দু’দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি সম্পর্ক—বিশেষত সয়াবিন আমদানি কমানো বা তা বন্ধ রাখার মতো বিষয়ে আলোচনা হওয়া সম্ভাব্য। এক সময়ে চীনে সয়াবিন ছিল মার্কিন রপ্তানির শীর্ষ পণ্যগুলোর মধ্যে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সফর দুই দেশের সম্পর্ককে নতুনভাবে গঠন করার সুযোগ হিসেবে কাজ করতে পারে। বাণিজ্য, কৌশলগত নিরাপত্তা এবং কূটনৈতিক সংযোগের বিস্তারে ওই বৈঠকের যে প্রশ্নগুলো উঠবে, সেগুলো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নজর কাড়বে।






