মার্কিন কংগ্রেস সদস্য গ্রেস মেং মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক নির্বাচন ও নতুন সরকার গঠন প্রসঙ্গে একটি বিশেষ বিবৃতি দিয়ে এই শুভেচ্ছা প্রকাশ করেন।
বিবৃতিতে গ্রেস মেং বলেন, তারেক রহমানের শপথ গ্রহণ একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা। তিনি নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশের জনগণকে তাদের সফলভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য অভিনন্দন জানিয়ে দেশের গণতন্ত্র ও স্থিতিশীলতার প্রতি সম্মান প্রকাশ করেন।
গ্রেস মেং আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বহু বাংলাদেশি এই নির্বাচন প্রক্রিয়াটি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন এবং তারা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, মানবাধিকার রক্ষা ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আশাবাদী।
তিনি আশা প্রকাশ করেন যে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও দৃঢ় ও ফলপ্রসূ হবে। পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো বিস্তৃত হলে তা দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবে; বিশেষত অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষায় দুই দেশ একে অপরের পরিপূরক হতে পারে বলে তাঁর বিশ্বাস।
সেইসঙ্গে গ্রেস মেং তার নির্বাচনী এলাকার বড় সংখ্যক বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের সদস্যদের অধিকার রক্ষা ও জীবনমান উন্নয়নে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিরা তাদের মাতৃভূমির অগ্রগতিতে সদা উৎসাহী এবং একজন মার্কিন আইনপ্রণেতা হিসেবে তিনি ঐ সেতুবন্ধন আরও মজবুত করে তাদের সহায়তায় কাজ করবেন।
গ্রেস মেংয়ের এই বার্তা বাংলাদেশের নতুন সরকার ও প্রবাসী সম্প্রদায়ের প্রতি একটি ইতিবাচক সঙ্কেত হিসেবে দেখা যায়, যেখানে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও গড়ে তোলার ইচ্ছা ও প্রতিশ্রুতি স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।






