উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্লে-অফে মোনাকোকে হারাতে না পারলেও নাটকীয়ভাবে শেষ-১৬ নিশ্চিত করে রক্ষনশীল চ্যাম্পিয়ন পিএসজি। প্লে-অফের দ্বিতীয় লেগে মোনাকোর সঙ্গে ২-২ ড্র করলেও প্রথম লেগে পাওয়া ৩-২ জয় যোগ করে পিএসজি দুই লেগ মিলিয়ে ৫-৪ অ্যাগ্রিগেটে পর পরবর্তী পর্বে উঠেছে।
ম্যাচে পিএসজির বলদখল ছিল ৬৮ শতাংশ, তবুও প্রথমার্ধে মোনাকোই ছিল আক্রমণে বেশি প্রাণবন্ত। মাঘনেশ অ্যাকলিউশের গোলে প্রথমার্ধেই এগিয়ে যায় হোস্টরা এবং সেই সুযোগে তারা প্যারিসিয়ানদের চাপানে রাখে।
তবে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয় মোনাকো মিডফিল্ডার মামাদু কুলিবালির লাল কার্ড। সূচনায় ৫৮ মিনিটে কাভারৎস্খেলিয়াকে ফাউল করে কুলিবালি দ্বিতীয় হলুদ দেখে মাঠ ছাড়লে মোনাকো ১০ জনে নেমে আসে। একজন কমে যাওয়ার সুযোগ নিতেই দেরি করেনি পিএসজি। লাল কার্ডের পরের মিনিটেই ফ্রি-কিক থেকে অধিনায়ক মার্কুইনিওস সমতা ফেরান। ছয় মিনিট পর কাভারৎস্খেলিয়ার গোল পিএসজিকে ২-১ করে তুলে দেয়। অতিরিক্ত সময়ে জর্ডান তেজের গোলে মোনাকো ম্যাচ ড্র করে দিলেওAggregate-এর বিচারে তাদের পথ থেমে গেল।
ম্যাচের পর মোনাকো কোচ সেভাস্তিয়েন পোকোগনলি ক্ষোভ উগরে দেন। তিনি বলেন, কুলিবালির লাল কার্ড ম্যাচের মূল টার্নিং পয়েন্ট ছিল এবং মাত্র পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে দুটিই হলুদ কার্ড দেখানো ছিল কঠোর ও প্রশ্নবিদ্ধ সিদ্ধান্ত। তবু ১০ জন নিয়ে শক্ত দৌড় শেষে পিএসজির মতো দলের বিপক্ষে ড্র করে তার খেলোয়াড়দের লড়াকু মনোভাবের প্রশংসাও করেন তিনি। তাঁর কথায়, দলটি পিএসজির দুর্বলতা খুঁজে পেয়েছিল, শুধু ভাগ্য সহায় হয়নি।
অন্যদিকে পিএসজি কোচ লুইস এনরিকে স্বীকার করেছেন ম্যাচ মোটেই সহজ ছিল না। বিশেষ করে প্রথমার্ধে তাঁর দল কিছুটা ঘাটতি দেখিয়েছে, কিন্তু পরবর্তীতে যেভাবে দল মানসিকভাবে ফিরে এসেছে তাতে তিনি সন্তুষ্ট। গত মৌসুমে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা জেতা পিএসজি এবারের প্লে-অফ থেকে বিদায়ের শঙ্কা কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত সেরা ১৬ দলের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে। এখন নকআউট পর্বে পুনরায় পুরনো দাপট ফিরিয়ে আনাটাই বার্সেলোনীয় কোচের মূল লক্ষ্য।






