লিবিয়ার বেনগাজির গানফুদা ডিটেনশন সেন্টার থেকে মুক্ত ৩০ জনসহ মোট ১৭৫ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। তাদের প্রত্যাবাসন লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)-এর সমন্বয়ে সম্পন্ন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল আটটায় বুরাক এয়ার-এর একটি ফ্লাইটে তাঁরা ঢাকায় পৌঁছান। ফিরতি যাত্রায় সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো ও আইওএম ছিল সহযোগিতার মূল হাতিয়ার।
সূত্র জানিয়েছে, ফেরত আসা অধিকাংশ ব্যক্তি মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার অভিলাষে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। সেখানে অবস্থানকালে অনেকে অপহরণ, শারীরিক নির্যাতন ও বিভিন্ন দুর্ব্যবহারের শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন।
বিমানবন্দরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ বিভাগ, বাংলাদেশ দূতাবাস ও আইওএমের কর্মকর্তা তাদের স্বাগত জানান এবং নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করার জন্য ধন্যবাদ জানান। কর্তৃপক্ষ প্রত্যেককে তাদের ভোগান্তি ও অভিজ্ঞতা জনগণের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার আহ্বান জানায় যাতে ভবিষ্যতে অনেকে একইভাবে প্রতারণার শিকার না হন।
আইওএম প্রত্যেক প্রত্যাবাসিতকে পথখরচ, খাদ্যসামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনে অস্থায়ী আশ্রয়ার ব্যবস্থা করেছে। একই সঙ্গে তাদের মানসিক সহায়তা ও পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার বিষয়গুলোও দেখভাল করা হচ্ছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটকে থাকা বাকি বাংলাদেশিদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে তারা, লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আইওএম যৌথভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সংস্থাগুলো আরও বলছে যে, ঝুঁকিপূর্ণ অবৈধ অভিবাসন রোধে জনসচেতনতা ও প্রতিরোধমূলক বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ চালানো হবে।






