বাংলাদেশ ব্যাংক সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রেখে অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। রাজনৈতিক দুঃসময় শেষে পুনরায় বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্প কারখানা সচল করতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার বিষয়েও কেন্দ্রীয় ব্যাংক পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। আজ বৃহস্পতিবার নতুন গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর এই ঘটনা নিশ্চিত করেন। এর পরে সংবাদ সম্মেলনে মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি পুনরুজ্জীবিত করতে প্রয়োজনীয় নীতিগত সমর্থন দেওয়া হবে। এর মধ্যে রয়েছে সুদহার হ্রাসের বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে। নতুন গভর্নর আগের গভর্নরের কর্মকালীন সামষ্টিক স্থিতিশীলতা রক্ষার প্রচেষ্টাগুলোর প্রশংসা করে বলেন, সেই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে এখন অর্থনীতিতে গতি ফেরানো উচিত। গত এক দেড় বছরে বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় চালুর জন্য নীতি, প্রণোদনা ও ব্যাংকের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধির পরিকল্পনাও নেয়া হবে। এর ফলে উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন। আরিফ হোসেন খান বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখাকেও অগ্রাধিকার দেয়া হবে। পাশাপাশি, উচ্চ সুদেরহার পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নিশ্চিত করতে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াকে নিয়মমাফিক ও নিরপেক্ষ করার উদ্যোগ থাকছে। কাজের গতি বাড়াতে ‘ডেলিগেশন অব অথরিটি’ বা ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যাতে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দায়িত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এই সব উপায় দিয়ে অর্থনীতিকে আবার সুদৃঢ় করাই লক্ষ্য ঘোষণা করেছেন গভর্নর।






