দেশের প্রধান ও দ্বিতীয় পুঁজিবাজারে গত সপ্তাহে সূচকের উল্লেখযোগ্য ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। তবে, একই সময়ে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হ্রাস পেয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স গত সপ্তাহে ২ দশমিক ৪৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে সূচকের মান পৌঁছেছে ৫,৬০০ পয়েন্টের ঘরে। যদিও সূচকের এই উত্থানে লেনদেনের পরিমাণ কমেছে প্রায় ৩১ শতাংশ।
বিশ্লেষকদের মন্তব্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহে ডিএসইর সূচকের এই বৃদ্ধি মূলত ব্যাংক খাতের শেয়ারগুচ্ছের জোরালো ক্রয় করে। এর পাশাপাশি, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঋণ পুনঃতফসিল নীতিতে শিথিলতা বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়িয়েছে, যা বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। তবে, বাজারের চারপাশে আগে শুরু হওয়া কিছু অনিশ্চয়তা এবং যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে দীর্ঘস্থায়ী উদ্বেগ থাকলেও তা মূলত সপ্তাহের প্রথম দিকে সতর্কতা তৈরি করলেও এবং শেষ পর্যন্ত এর প্রভাব খুব বেশি স্থায়ী হয়নি।
লেনদেনের চিত্র থেকেছে, গত পাঁচ কার্যদিবসে ডিএসইতে দৈনিক গড়ে ৭২৪ কোটি ৮৬ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় প্রায় ৩০ দশমিক ৯৭ শতাংশ কম। খাতভিত্তিক লেনদেনে সবচেয়ে বেশি দখলে ছিল ব্যাংক খাত, যা মোট লেনদেনের প্রায় ২২ দশমিক ৬৬ শতাংশ অংশীদার। তার পরের বৃহৎ খাতগুলো হলো ওষুধ ও রসায়ন, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাত।
অন্য খাতগুলোর মধ্যে আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাত ছিল সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য, যেখানে ৫ দশমিক ১৫ শতাংশ লাভের মধ্যে থেকে লাভের শীর্ষে ছিল। অন্যদিকে, করপোরেট বন্ড এবং বিমা খাতে কিছু নেতিবাচক প্রভাব দেখা গেছে।
চট্টগ্রামে দেশের এক্সট্রানজিঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১ দশমিক ৬২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে পৌঁছেছে ১৫,৫৯৭ পয়েন্টে। পাশাপাশি, সিএসইর প্রধান সূচকও ১ দশমিক ৬৬ শতাংশ বেড়ে যাওয়ায় সপ্তাহটা পার করেছে।






