গত মাসে অনুষ্ঠিত নারী টি-২০ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে বাংলাদেশ অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হিসেবে মূল পর্বে জায়গা করে নিয়েছে। নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বে সাত ম্যাচে একটিতেও তারা হারেনি—এ জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন মিডলঅর্ডার ব্যাটার সোবহানা মোস্তারি।
২৪ বছর বয়সী মোস্তারি বাছাইপর্বে সাত ম্যাচে ২৬২ রান করেন এবং তার স্ট্রাইকরেট ছিল ১৪৫.৫৫। অন্তত ১৫০ রান করা ব্যাটারদের মধ্যে তার স্ট্রাইকরেট ছিল সবচেয়ে বেশি। مجموع হিসেবে তিনি বাছাইপর্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক ছিলেন; জানুয়ারি মাসেই তার সংগ্রহ ছিল ২২৯ রান। এই জমিয়ে দেওয়া পারফরম্যান্সের ফলস্বরূপ আইসিসি জানুয়ারির মাসের সেরা তিন খেলোয়াড়ের তালিকা থেকে তিনি পুরস্কার জিতেছেন — প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে ছিলেন আয়ারল্যান্ডের গ্যাবি লুইস ও যুক্তরাষ্ট্রের পেসার তারা নরিস।
এ প্রসঙ্গে বলা যায়, বাছাইপর্বে সর্বোচ্চ রান করেছেন গ্যাবি লুইস—২৭৬ রান—এবং তার দলও বিশ্বকাপে উঠেছে। অন্যদিকে তারা নরিস ছয় ম্যাচে ১৫ উইকেট নিয়েও তার দলকে মূল পর্বে নিলে উঠতে পারেনি। বাছাইপর্ব থেকে নেদারল্যান্ডস ও স্কটল্যান্ডও মূল পর্বের টিকিট পেয়েছে।
নারী বিশ্বকাপের মূল পর্বে মোট ১২ দল খেলা শুরু করবে ১২ জুন থেকে এবং ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ৫ জুলাই। এতে বাংলাদেশ, আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, স্কটল্যান্ডের পাশাপাশি অংশ নেবে ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, ভারত, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা।
পুরুষ বিভাগের মাস সেরার পুরস্কারেও ঘোষণা এসেছে। সংক্ষিপ্ত তালিকায় ছিলেন নিউজিল্যান্ডের ড্যারেল মিচেল, ইংল্যান্ডের জো রুট ও ভারতের সূর্যকুমার যাদব। শেষ পর্যন্ত পুরস্কারটি পেয়েছেন নিউজিল্যান্ডের ব্যাটার ড্যারেল মিচেল। ভারতের বিপক্ষে জয়ী ওয়ানডে সিরিজে তিনি দুইটি পরপর সেঞ্চুরি সহ মোট ৩৫২ রান করেন; টি-টোয়েন্টি সিরিজে তার সংগ্রহ ছিল ১২৫ রান। জো রুট শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজে ২৪২ রান করে দলের সেরা হন এবং সূর্যকুমারও নিউজিল্যান্ড সিরিজে পাঁচ ম্যাচে ২৪২ রান করেন।
মোটmil, সোবহানা মোস্তারির জন্য এই মাসিক জয় বাংলাদেশি নারী ক্রিকেটে 개인 ও দলের উভয় দিকেই একটি উৎসাহব্যাঞ্জক স্বীকৃতি। তার ধারাবাহিকতা যদি বজায় থাকে, তাহলে বিশ্বকাপের মূল পর্বে বাংলাদেশের ব্যাটিং আক্রমণে তিনি আরও বড় প্রভাব রাখতে পারবেন।






