যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর নিজের প্রথম ভিডিও বার্তায় তেহরানের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের ডাক দিলেন ইস্রায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে প্রকাশিত ওই বক্তব্যে তিনি ইরানের সাধারণ জনগণের প্রতি ‘‘স্বৈরাচারের জোয়াল’’ ঝেড়ে ফেলে একটি স্বাধীন ও শান্তিপূর্ণ ইরান গড়ার আহ্বান জানান। নেতানিয়াহু বলেন, ‘‘আমাদের এই যৌথ সামরিক পদক্ষেপ ইরানের সাহসী জনগণের জন্য তাদের নিজের ভাগ্য নিজেরাই নির্ধারণ করার পরিবেশ তৈরি করে দেবে।’’
গত বছরের জুনে ১২ দিনের সংঘর্ষের সময়ও তিনি একইভাবে ইরানি জনগণকে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে জাগরণে উঠে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে ছিলেন। এবারের ভিডিও বার্তার শুরুতেই নেতানিয়াহু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘‘ঐতিহাসিক নেতৃত্ব’’ের জন্য তাকে ধন্যবাদ জানান।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘‘এই খুনি-সন্ত্রাসী শাসনব্যবস্থাকে কখনো পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেয়া যাবে না, কারণ তা পুরো মানবজাতির জন্য হুমকি হবে।’’
নেতানিয়াহুর প্রকাশ্য এই রাজনৈতিক অবস্থান কেবল সামরিক হামলার সীমা ছাড়িয়ে সরাসরি তেহরানের মসনদ উল্টে দেওয়ার উদ্দেশ্যকে সামনে এনেছে। তার এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও কূটনৈতিক মঞ্চে তোলপাড় দেখা গেছে এবং ধারণা করা হচ্ছে ইরান তীব্র প্রতিক্রিয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।






