সাকিব আল হাসানের জাতীয় দলে ফেরা আবারও পিছিয়ে গেল। আসন্ন পাকিস্তান সিরিজের জন্য সম্ভাব্য স্কোয়াড বিসিবির কাছে জমা হলেও অভিজ্ঞ অলরাউন্ডারের নাম সেখানে নেই, ফলে এই সিরিজ দিয়ে লাল-সবুজ জার্সিতে তার প্রত্যাবর্তন আপাতত স্থগিত হল।
নির্বাচকদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, দীর্ঘ সময় দলের বাইরে থাকা এবং দলীয় অনুশীলনের অভাবের কারণে সরাসরি গুরুত্বপূর্ণ সিরিজে সাকিবকে স্থান দেওয়া যৌক্তিক হবে না। এছাড়া তার বিরুদ্ধে চলমান আইনি জটিলতা ও মামলার বিষয়েও কোনো কার্যকর অগ্রগতি না হওয়ায় তিনি এখনই দেশে ফিরছেন না—এই কয়েকটিই তার স্কোয়াডে না থাকার প্রধান কারণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
গতকাল বুধবার কক্সবাজার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বিসিবি পরিচালক আসিফ আকবর। তিনি জানান যে সাকিবের আইনি জটিলতা মেটানোর বিষয়ে বিসিবি ও তাদের লিগ্যাল টিম মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছে। ‘‘বিষয়টি বর্তমানে মন্ত্রণালয়ে প্রক্রিয়াধীন। আমরা সাকিবিয়ানদের মতো সমগ্র দেশের কন্ঠে দ্রুততম সময়ে তাঁকে মাঠে দেখতে চাই,’’ বলেন আসিফ আকবর।
নির্বাচকরা বলছেন, উপযুক্ত প্রস্তুতি ও দলীয় অনুশীলন ছাড়া কোনও খেলোয়াড়কে সরাসরি আন্তর্জাতিক সিরিজে নামানো দলের স্বার্থে উপযুক্ত হবে না। এ কারণে এবং আইনি প্রেক্ষাপটের অনিশ্চয়তার কারণে সাকিবকে এখনই দলে নেওয়া হয়নি। তবে বিসিবি কর্মকর্তা আশা প্রকাশ করেছেন যে আইনি প্রক্রিয়া দ্রুত সমাধান হলে সাকিব তাড়াতাড়ি দলভুক্ত হতে পারবেন।
উল্লেখ্য, আগামী ১১ মার্চ থেকে মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ, প্রতিটি ম্যাচ শুরু হবে দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে। বেছে নেওয়া সম্ভাব্য স্কোয়াড এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা না করায় সমর্থকদের মধ্যে অনিশ্চয়তা রয়েছে, আর সাকিবের অনুপস্থিতি অনেকেরই মন খারাপ করেছে।
এখন দেখার বিষয়, আইনি বাধা কাটিয়ে কত দ্রুত দেশের এই অভিজ্ঞ তারকা আবারও জাতীয় দলের কোরে ফিরতে পারেন। সমর্থকরা অধীর আগ্রহে সেই দিনটির অপেক্ষা চালিয়ে যাচ্ছেন।






