সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে জাকজমকপূর্ণ ইফতার মাহফিল এড়িয়ে সীমিত পরিসরে দুইটি ইফতার আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই দায়িত্বসংক্রান্ত সিদ্ধান্তের কথা বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন সাংবাদিকদের জানান।
রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী কূটনীতিকদের সম্মানে শুক্রবার এবং ৭ মার্চ এতিম, আলেম ও উলামা-মাশায়েখদের সম্মানে দু’টি ইফতার মাহফিল রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় আয়োজন করবেন। দুইটি অনুষ্ঠানই একই ভেন্যু ও একই মঞ্চে করা হবে, এতে খরচ সাশ্রয় হবে এবং অপ্রয়োজনীয় জাঁকজমক এড়ানো যাবে।
এর আগে ৮ মার্চ রাজনীতিবিদদের সম্মানে এবং ১০ মার্চ গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের সন্মানে যমুনায় ইফতার আয়োজনের সময়সূচি নির্ধারিত থাকলেও তা ‘সার্বিক অবস্থা বিবেচনায়’ বাতিল করা হয়েছে বলে রুমন জানান।
আতিকুর রহমান রুমন বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশের বর্তমান পরিস্থিতি উপলব্ধি করে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় করা চান না। তাই এক ঝাঁজে বড় আয়োজন না করে প্রয়োজন অনুযায়ী সীমিতভাবে দুইটি ইফতার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রতিবছর রাষ্ট্রীয়ভাবে নানা শ্রেণিপেশার প্রতিনিধিদের সম্মান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। তবে এবার দায়িত্বগ্রহণের পর থেকে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি সরকারি ভেন্যুতে বড় অনুষ্ঠানে অংশ না নিয়ে নিজের বাসায় পরিবারের সঙ্গে ইফতার করছেন, জানিয়েছেন সূত্র।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান ও কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান প্রথম রোজায় রাজধানীর ভাষানটেকসহ কয়েকটি এলাকায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ইফতারে অংশ নেন। তারা রমজানজুড়ে মাদ্রাসার এতিম শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীও বিতরণ করছেন।
সরকারি সিদ্ধান্তটি মূলত ব্যয় সংরক্ষণ এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকতা কমানোর প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে। সরকার সূত্র বলছে, সীমিত পরিসরে আয়োজনের মাধ্যমে সম্মান বজায় রেখে প্রয়োজনীয় সামাজিক দায়বদ্ধতাও পালন করা হবে।






