হিন্দি সিনেমার স্বর্ণযুগের অমর নায়িকা মধুবালার জীবন এবার রূপালি পর্দায় জীবন্ত হতে পারে—এমনই সংবাদ ফের ঘুরছে। দীর্ঘদিন ধরেই মধুবালার বায়োপিক তৈরির পরিকল্পনা চলছে; নানা কারণে বারবার পিছিয়ে যাওয়া সেই প্রজেক্টকে নিয়ে চলচ্চিত্র জগতে নতুন করে আলোচনা-গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
চলচ্চিত্র পাড়ায় উড়ে আসা খবর বলছে, হালের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কিয়ারা আদাভানি মধুবালার আইকনিক চরিত্রটি করে তুলতে যাচ্ছেন। আরও বলা হচ্ছে, প্রযোজনার দায়িত্ব নিচ্ছেন খ্যাতিমান নির্মাতা সঞ্জয় লীলা বানসালি—যার নাম যুক্ত হতেই কাজটি নতুন মাত্রা পেয়েছে।
ভ্যারাইটি ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বানসালির যুক্ত হওয়ার পরে প্রকল্পে গতি এসেছে। বায়োপিকের পরিচালনা করছেন ‘ডার্লিংস’ খ্যাত নারী পরিচালক জসমিত কে রিন এবং চিত্রনাট্যের কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। সূত্রে বলা হচ্ছে, চলতি বছরের শেষ দিকেই ছবিটির শুটিং শুরু হওয়ার সম্ভাবনা আছে। যদিও দিলিপ কুমার এবং কিশোর কুমারের ভূমিকায় কে অভিনয় করবেন, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি এবং শিল্পী বাছাই নিয়ে আলোচনা চলছে।
কিয়ারার নিজের পুরনো সাক্ষাৎকারগুলোতেও দেখা গেছে, তিনি বহুবার বলেছিলেন—সুযোগ পেলে মধুবালার চরিত্রটি অনায়াসে করতে চান। তার এই ইচ্ছের কথা জানা ছিল, বলেই গুঞ্জন বাড়ছে যে তিনি এই বায়োপিকে হাত দিয়েছেন। শোনা যায়, কিয়ারার সামনে মীনা কুমারীর বায়োপিকের প্রস্তাবও ছিল, তবুও তিনি মধুবালার চরিত্রটিকেই বিধেয় হিসেবে বেছে নেয়ার কথা ভাবছেন—এমনই কৌতুক ও কৌতূহল ভক্তদের মধ্যে দেখা যাচ্ছিল।
তবে সব খবরই আনুষ্ঠানিক নয়। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিজ়িড রিপোর্ট করলেও, দেশীয় কিছু গণমাধ্যম—যেমন ‘বলিউড হাঙ্গামা’—এখন পর্যন্ত এই তথ্যকে কেবল গুঞ্জন হিসেবে দিচ্ছে। কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কিয়ারা বা বানসালির সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তি বা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত পরিস্থিতি অনিশ্চিতই থাকবে।
ফ্যানরা আপাতত অপেক্ষার মধ্যেই—কারণ যে কোন সময়ে এই ছবিটি ঘোষণা হলে তা বলিউডসহ বৈশ্বিকভাবে ব্যবসা ও নস্টালজিয়ার দিক থেকে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠতে পারে। শেষ পর্যন্ত মধুবালার চরিত্রে কিয়ারার অভিষেক হবে কি না, তা জানতে এখনই ধৈর্য ধরে অফিসিয়াল ঘোষণা পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই হবে।





