দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারি সূত্রে জানা গেছে, উত্তর কোরিয়া জাপান সাগরে ১০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। এই ঘটনার খবর রয়ে্টার্স জানিয়েছে।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুপুর পৌনে একটায় (প্রায় ১টা ২০ মিনিটে) পিয়ংইয়ংয়ের নিকটবর্তী এলাকা থেকে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ছোড়া হয়, এমনই জানায় জাপান কোস্টগার্ড ও দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা বাহিনী। ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলো মূলত জাপান সাগরে পড়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
উত্তর কোরিয়ার পরীক্ষামূলক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ নির্বাসিত ঘটনা নয় — গত দুই দশক ধরে পিয়ংইয়ং নিয়মিতভাবে জাপান সাগর, পূর্ব চীন সাগর ও কোরিয়া প্রণালীতে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে আসছে। এই অনিয়ন্ত্রিত উৎক্ষেপণের কারণেই ২০০৬ সাল থেকে জাতিসংঘ বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলেও পিয়ংইয়ংকে পুরোপুরি থামানো সম্ভব হয়নি।
গত দশক আগে নিজেদের মিত্র দক্ষিণ কোরিয়ার সুরক্ষার স্বার্থে সেখানে থাড (THAAD) ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। তবে সাম্প্রতিক কালে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধজনিত উত্তেজনার পরিপ্রেক্ষিতে ওয়াশিংটন সিউলের থাড গুলি মুভ করে সেখানে পাঠানোর পরিকল্পনা জানিয়েছে।
দৈনিক জুংআং-এর এক বিস্তারিত প্রতিবেদনে বলা হয়, এ সিদ্ধান্তে সিউল সন্তুষ্ট নয়—দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান লি জায়ে মিউংও এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। জুংআং-এর রিপোর্ট প্রকাশের মাত্র একদিনেরও কম সময়ের মধ্যেই কিম জং উন ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের নির্দেশ দেন, যোগ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।
ঘটনাটির প্রেক্ষাপট ও পরিণতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ এবং যাচাই চলছে; বিষয়টি নিয়ে আঞ্চলিক দেশগুলো ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা সতর্ক নজর রাখছেন।






