বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র এক মাসের মধ্যে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলো ধাপে ধাপে দৃশ্যমান হচ্ছে।
সোমবার (১৮ মার্চ) রাজধানীর গুলশানের বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে দেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, “বিএনপি যখনই ক্ষমতায় আসে, নানা বৈশ্বিক ঘটনাপ্রবাহ দেখা দেয়। এবারের দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনার মতো বড় সংকট সামনে আসে। তবুও সরকারের কার্যকর ব্যবস্থাপনার কারণে দেশে জ্বালানির সরবরাহে কোনো বিঘ্ন হয়নি এবং তেলের দামও বাড়েনি। সংকটের মধ্যেও গার্মেন্টস খাতের শ্রমিকদের বেতন সঠিক সময়ে পরিশোধ করা সম্ভব হয়েছে।”
দলীয় কার্যক্রম সম্পর্কে তিনি জানান, বর্তমানে দলের কর্মকাণ্ড সীমিত পরিসরে চললেও বছরের মধ্যে দলীয় কাউন্সিল আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন দ্রুত আয়োজনের জন্যও কাজ চলমান আছে এবং সরকার চেষ্টা করছে এ বছরের মধ্যে যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন সম্পন্ন করতে।
সরকারের সার্বিক কর্মপৃষ্ঠমতা সম্পর্কে মির্জা ফখরুল বলেন, “এক মাসে আমরা অনেক ক্ষেত্রেই সফলতা দেখছি। পার্লামেন্টের অধিবেশনও ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে এবং সেখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে। এখন আমাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধার করে সেটিকে শক্তিশালী ও স্থিতিশীল করা।” তিনি জানান, সরকার এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে কাজ করে যাচ্ছে।
সান্তাহারে ট্রেন লাইনচ্যুতি ও অন্যান্য দুর্ঘটনা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেছিলেন, এসব অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি আশ্বাস দেন যে খুব শিগগিরই রেল চলাচল স্বাভাবিক ও নিরাপদ করে তোলা হবে।
মির্জা ফখরুলের এসব মন্তব্যে স্পষ্ট যে সরকার সংকট মোকাবিলায় বেশ সচেষ্ট এবং দলের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম ও নির্বাচন সম্পর্কিত কাজও শিগগিরই এগিয়ে নেওয়া হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।






