যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউজে গত বুধবার অনুষ্ঠিত ‘ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার: গ্লোবাল কোয়ালিশন সামিট’ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে অংশ নেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান। সম্মেলনে বিশ্বের ৪৫টিরও বেশি দেশের ফার্স্ট লেডি ও রাষ্ট্রনেতাদের সহধর্মিণী অংশগ্রহণ করেন।
সম্মেলন আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প, এবং তার আমন্ত্রণেই দুইদিনব্যাপী এই কর্মশালায় যোগ দেন ডা. জুবাইদা রহমান। তার সাথে প্রতিনিধি দলে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খান, ঢাকা মেডিকেল কলেজের অর্থোপেডিক সার্জন শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ ও ব্যারিস্টার মেহনাজ মান্নান।
সমাপনী অনুষ্ঠানের সকালে হোয়াইট হাউজে মেলানিয়া ট্রাম্প সব অতিথির প্রতি শুভেচ্ছা জানান এবং জুবাইদা রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে দুই পক্ষ শিশুদের কল্যাণে সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন, এবং ডা. জুবাইদা মেলানিয়া ট্রাম্পকে এমন উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি অন্যান্য দেশের ফার্স্ট লেডি ও সহধর্মিণীদের সঙ্গেও কুশলাদি বিনিময় করেন।
গত ২৩ মার্চ ঢাকা ছাড়ার পর লন্ডনে সংক্ষিপ্ত বিরতি নিয়ে যুক্তরাজ্য থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছান ডা. জুবাইদা। সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে তিনি বক্তব্য রেখে বাংলাদেশে শিশুদের জীবনমান উন্নয়ন এবং সরকারের নেয়া বিভিন্ন সুচিন্তিত পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন, যা আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ জাগায়। প্রতিনিধিরা বাংলাদেশি অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিতে ইচ্ছা প্রকাশ করেন এবং শিশু কল্যাণে একযোগে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন।
সম্মেলনের পাশাপাশি হোয়াইট হাউসে আয়োজিত প্রদর্শনীর আয়োজনেও অংশ নেন ডা. জুবাইদা; সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় ১১টি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের উদ্ভাবনী শিক্ষাব্যবস্থা ও প্রযুক্তি দেখানো হয় যা শিশুদের শিক্ষায় সহায়ক। হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে নেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডা. জুবাইদা জানান, বাংলাদেশ বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা থেকে জ্ঞান অর্জন করে এবং অন্যান্য ফার্স্ট লেডি ও স্পাউসদের সঙ্গে অংশীদারিত্ব গড়ে শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যত গঠনে কাজ করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।






