ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষ হয়ে কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করায় ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে গত কয়েক দিনে যানবাহনের চাপ noticeably বেড়েছে। ছুটির শেষের দিনগুলোতে পরিবার-পরিজনদের সঙ্গে সময় কাটানো মানুষ কর্মস্থলের পথে ফিরতে থাকায় দৈনিক পারাপারে উল্লেখযোগ্য উত্সাহ দেখা গেছে। গণপরিবহন বাসের পাশাপাশি খোলা ট্রাক, ব্যক্তিগত প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেলও বেশি সংখ্যায় সেতু পারাপার করেছে।
যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত শুক্রবার রাত ১২টা থেকে শনিবার রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় মোট ৪২,৩৭৪টি যানবাহন সেতু পারাপার করেছে এবং টোল হিসেবে আদায় হয়েছে ৩ কোটি ৩১ লাখ ১৫ হাজার ৫০ টাকা। এই তথ্য রোববার (২৯ মার্চ) সকালে যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিযাজ উদ্দিন জানিয়েছেন।
পারাপারের বিভাজনে দেখা গেছে, সেতুর পূর্বপ্রান্তের উত্তরবঙ্গগামী লেনে ১৮,০৩৬টি যানবাহন পারাপার হয়েছে; এ থেকে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৬০ লাখ ২৪ হাজার ৪৫০ টাকা। অপরদিকে পশ্চিমপ্রান্তের ঢাকাগামী লেনে ২৪,৩৩৮টি যানবাহন পারাপার হয়েছে এবং সেখানে আদায় হয়েছে ১ কোটি ৭০ লাখ ৯ হাজার ৬০০ টাকা।
সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিযাজ উদ্দিন বলেন, ঈদের পর কয়েক দিন ধরে কর্মস্থলে ফেরার ফলে সড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে, তবে সেতু পারাপার বা মহাসড়কে কোনো বড় ধরনের যানজট সৃষ্টি হয়নি। সর্বশেষ পরিস্থিতিতে যানবাহন স্বাভাবিক গতিতেই চলাচল করছে।
ট্র্যাফিক নিয়ন্ত্রণ ও দ্রুত পারাপারের জন্য সেতুতে পূর্ব ও পশ্চিম উভয় অংশে মোটরসাইকেলসহ প্রতিটি দিকে ৯টি করে মোট ১৮টি টোল বুথ স্থাপন করা হয়েছে, যা যানজট কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। কর্তৃপক্ষ জানান, চলমান পর্যবেক্ষণ ও পরিচালনায় কোন অপ্রত্যাশিত সমস্যা না থাকলে পরিস্থিতি একইভাবে নিয়ন্ত্রণে থাকবে।






