প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবার নয়াপল্টনের বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পৌঁছেছেন তারেক রহমান। শনিবার সন্ধ্যা ৭টা ২৩ মিনিটে তার গাড়িবহর কার্যালয়ের সামনে পৌঁছলে হাজারও নেতা–কর্মী স্লোগান দিয়ে তাকে অভ্যর্থনা জানান।
গাড়ি থেকে দরজায় দাঁড়িয়ে হাত নেড়ে নেতাদের শুভেচ্ছা জানানোর কিছুক্ষণের মধ্যে তিনি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন। আগের সন্ধ্যায় সরেজমিন দেখায় পুরানা পল্টনের নাইটিঙ্গেল মোড় থেকে নয়াপল্টন পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে এবং বিভাজকের ওপরে ভির করে দাঁড়িয়ে ছিলেন দলের নেতা–কর্মীরা; অনেকের হাতে ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।
সন্ধ্যা সাড়ে ছয়ের দিকে বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পৌঁছান, আর সাতটার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সেখানে প্রবেশ করেন। ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বড় ধরনের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা বিচ্ছিন্নভাবে স্লোগান দিচ্ছিলেন; তারা ‘প্রধানমন্ত্রীর আগমন শুভেচ্ছা’, ‘ছাত্রদলের পক্ষ থেকে লাল গোলাপ’ সহ তারেক রহমানের নামে উষ্ম অভিবাদন জানায়।
নয়াপল্টনের সরেজমিন ছায়ায় দেখা গেছে যে জনপ্রিয়তা ও উদ্দীপনা বজায় রাখতে প্রচণ্ড ভিড়ের জন্য সড়কে তীব্র যানজট তৈরি হয়—গাড়িগুলো প্রায় এক লাইনে অল্পগতিতে চলছে।
এই সময় নয়াপল্টন, ফকিরাপুল, ভিআইপি রোড ও কাকরাইল এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা বহাল ছিল; আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীরা বিভিন্ন পয়েন্টে সতর্ক অবস্থানে ছিলেন।
একজন নারী কর্মী বলেন, ‘দুই বছর আগেও আমরা এখানে আসতে পারতাম না; পুলিশে তাড়াত বা গ্রেপ্তার করত। আর আজকে… আল্লাহ চাইলে কী না পারে।’ তাঁর এই কথায় অনেকে আবেগী হয়ে পড়েন এবং歓বরণ উৎসবের মতো পরিবেশ তৈরি হয়।






