পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) সাতটি ব্রোকারেজ হাউজ সরেজমিনে পরিদর্শনের নির্দেশ দিয়েছে। সিদ্ধান্তটি নেয়া হয়েছে মার্জিন ঋণ ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম ও আইন-নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিএসইসির মার্কেট ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন বিভাগ থেকে ডিএসইর প্রধান নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (সিআরও) বরাবর এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়। ওই ক্ষেত্রে বিএসইসি ২৬ ফেব্রুয়ারি ও ৪ মার্চ ডিএসইকে একাধিক চিঠি পাঠিয়েছিল।
পরিদর্শনের আওতায় থাকা ব্রোকারেজ হাউজগুলোর মধ্যে রয়েছে— আহমেদ ইকবাল হাসান সিকিউরিটিজ লিমিটেড, শেলটেক ব্রোকারেজ লিমিটেড, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেড, মার্চেন্ট সিকিউরিটিজ লিমিটেড, জেকেসি সিকিউরিটিজ লিমিটেড, কমার্স ব্যাংক সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এবং গ্লোব ইনভেস্টমেন্ট অ্যান্ড ফিনটেক কোম্পানি লিমিটেড।
ডিএসইর পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, এসব প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে স্টক-ব্রোকার ও স্টক-ডিলার নিবন্ধন সনদ নবায়ন সংক্রান্ত তথ্যে সন্দেহজনক দিক রয়েছে এবং মার্জিন ঋণ ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম ও নিয়মভঙ্গের অভিযোগ উঠে এসেছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয় যে কয়েকটি ব্রোকারেজ মার্জিন রুল, ১৯৯৯ এবং ২০২২ সালের ২০ মে জারি করা নির্ধারিত নির্দেশনা অনুসরণ করছে না বলে দাবি করা হয়েছে।
বিএসইসি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ডিএসই পরিদর্শনের সময় আর কোনো অনিয়ম ধরা পড়লে সেগুলোও তদন্তের আওতায় আনতে হবে। পাশাপাশি পরিদর্শন শেষে ডিএসইকে বিস্তারিত প্রতিবেদন কমিশনে জমা দিতে হবে, যেখানে চিহ্নিত অনিয়মসহ সকল প্রাসঙ্গিক বিষয় তুলে ধরা থাকবে।
চলমান অনুসন্ধান ও পরিদর্শনের পর কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে তা কমিশনের তফসিলভিত্তিক সিদ্ধান্ত অনুসারে পরবর্তী সময়ে জানানো হবে।






