ফুটবলপ্রেমীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আবারও ডাগআউটে ফিরছেন জিনেদিন জিদান। দীর্ঘ বিরতির পর ১৯৯৮ বিশ্বকাপজয়ী এই ফুটবলস্টার নিজ দেশ ফ্রান্সের জাতীয় দলের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেবার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন—এটাই স্প্যানিশ গণমাধ্যম ডিয়ারিও এএস জানিয়েছে।
রিয়াল মাদ্রিদ ছাড়ার পর ২০২১ সালের জুন থেকে জিদান সক্রিয় কোচিং থেকে দূরে ছিলেন। সেই সময় ইউরোপের নানা শীর্ষ ক্লাবের প্রস্তাব এড়িয়েছেন তিনি; কারণ তাঁর লক্ষ্য ছিল জাতীয় দলের দায়িত্ব পাওয়াটা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফরাসি ফুটবল ফেডারেশনের সঙ্গে langdurিক আলোচনার পর জিদান মৌখিকভাবে দায়িত্ব নেওয়ার সম্মতি দিয়েছেন এবং আনুষ্ঠানিক ঘোষণা সম্ভবত ২০২৬ বিশ্বকাপের পর হবে।
বর্তমান কোচ দিদিয়ের দেশম গত মাসে ঘোষণা করেছেন যে ২০২৬ বিশ্বকাপের পর তিনি দায়িত্ব ছাড়বেন। দেশমের জায়গায় জিদানকে বহুদিন ধরেই সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে দেখছিল ফুটবলবিশ্ব। ফেডারেশনের সঙ্গে চলা আলোচনাই এখন চূড়ায় পৌঁছেছে—ডিয়ারিও এএস ওই অনুশীলনকে ভিত্তি করেই জিদানের সম্মতির কথা নিশ্চিত করেছে।
জিদানের কোচিং কেরিয়ার ব্যাপক সফলতায় রঙিন: রিয়াল মাদ্রিদের সামনে তিনি টানা তিনটি ইউয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা জিতে ক্লাব ফুটবলের ইতিহাসে নিজের নাম স্থায়ীভাবে লিখে গেছেন। অনেকে মনে করেন, তার ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা ও বড় মঞ্চে কাজের নৈপুণ্য ফ্রান্স জাতীয় দলে নতুন প্রাণ সঞ্চার করবে।
বিশেষ করে কিলিয়ান এমবাপের মতো সুনামের তারকার সঙ্গে জিদানের রসায়ন ফরাসি ফুটবলের ভবিষ্যতকে আরও শক্তিশালীভাবে সাজাতে পারে—বিশ্লেষকদের একাংশের ধারণা। যদিও আনুষ্ঠানিক চুক্তির খুঁটিনাটি ও সময়সূচি এখনও চূড়ান্ত হয়নি, ফুটবলপ্রেমীরা ২০২৬ বিশ্বকাপের পর সেই মাহেন্দ্রক্ষণটির অপেক্ষায় আছে, যখন জিদান আবার ডাগআউটে দাঁড়িয়ে তার নেতৃত্ব দেখাবেন।
জিদানের সিদ্ধান্তের খবর পৌঁছতেই শুধু ফ্রান্সেই নয়, বিশ্বজুড়ে তাঁর ভক্তদের মধ্যে উল্লাস ও প্রত্যাশার ঢেউ বয়ে গেছে। এখন দেখার বিষয়—জিজু শেখানো নতুন ধারণা ও কৌশলগুলো ফরাসি দলে কতটা পরিবর্তন ও সাফল্য নিয়ে আসে।






