দেশীয় জ্বালানি সরবরাহ বজায় রাখতে মালয়েশিয়া থেকে মোট ৫১ হাজার মেট্রিক টন অকটেন ও ফার্নেস অয়েলের দুটি চালান চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশ্যে মুক্তোিয়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের সহকারী ব্যবস্থাপক (গণসংযোগ) ফারজিন হাসান মৌমিতা মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানানো হয়, প্রায় ২৬ হাজার টন পরিশোধিত অকটেন বহনকারী ‘এমটি সেন্ট্রাল স্টার’ জাহাজটি বর্তমানে আন্দামান সাগরে অবস্থান করছে এবং স্থানীয় সময় বুধবার (৮ এপ্রিল) চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙ্গরে পৌঁছানোর কথা। একই সময়ে প্রায় ২৫ হাজার মেট্রিক টন ফার্নেস অয়েল নিয়ে ‘এমটি ইস্টার্ন কুইন্স’ নামের আরেকটি জাহাজও মালয়েশিয়া থেকে চট্টগ্রামের পথে, যা একই দিন বন্দরের বহির্নোঙ্গরে পৌঁছাবে বলে জানা গেছে।
এর আগে বন্দরে ইতোমধ্যেই এলপিজি ও এলএনজি বহনকারী আরও দুটি জাহাজ এসে পৌঁছেছে। নাইজেরিয়া যান origin ‘কুল ভয়েজার’ জাহাজে এলএনজি রয়েছে এবং তার স্থানীয় এজেন্ট ইন্টারপোর্ট। চীন থেকে আগত ‘গ্যাস জার্নি’ জাহাজে এলপিজি রয়েছে যার এজেন্ট ইউনাইটেড শিপিং। এসব জাহাজ খালাস শেষ হওয়ার পর বুধবার বন্দর ত্যাগ করতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, বন্দরের জলসীমায় এই মুহূর্তে এলপিজি ও এলএনজি বহনকারী দুটি জাহাজ অবস্থান করছে এবং মোট চারটি জাহাজে থেকে জ্বালানি খালাস চলছে। এর মধ্যে ৩১ মার্চ ভারতের ‘গ্যাস চ্যালেঞ্জার’ নামক জাহাজ এলপিজি নিয়ে এসে ভাটিয়ারিতে খালাস শুরু করেছে এবং ৩ এপ্রিল মালয়েশিয়া থেকে আগত ‘শ্যান গ্যাং ফা শিয়ান’ জাহাজে ডিজেল আসে।
ফারজিন হাসান মৌমিতা আরও জানান, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যেও জ্বালানি তেল আমদানি ও সরবরাহে বিআরসিপি (বিপিসি) নিয়মিতভাবে কাজ করছে, যাতে দেশের জ্বালানি সংকট না সৃষ্টি হয় এবং সরবরাহ স্বাভাবিক থাকে। বন্দরে এ ধরণের নিয়মিত প্রবাহ বজায় রাখায় বাজারে তেল ও গ্যাসের ঘাটতি এড়াতে সহায়তা পাওয়া যাচ্ছে।






