দেশের কঠিন সময়ে দেশের মানুষ বুক ভরা প্রত্যাশা নিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দিকে তাকিয়ে আছেন, মন্তব্য করেছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার (১০ জানুয়ারি) বনানীর হোটেল শেরাটনের গ্র্যান্ড বলরুমে সাংবাদিকদের সঙ্গে তারেক রহমানের শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, এখন বেশ কঠিন পরিস্থিতি চলছে। আমাদের নেতা, তারেক রহমান, দীর্ঘ দিন বিদেশে থাকার পর সম্প্রতি দেশে এসেছেন। দেশের মানুষ গভীর আগ্রহ ও প্রত্যাশা নিয়ে তার দিকে নজর রেখেছেন। তিনি ইতোমধ্যে ডিজিটালি বার্তা পাঠিয়েছেন, যা পুরো জাতির আশার আলো জাগিয়েছে। এই সময়টিতে আমরা সত্যিকার অর্থেই একটি উদারপন্থি ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করার সুযোগ পাচ্ছি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং দলের প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। পাশাপাশি, মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের, ৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের ও ১২৬ ছাত্র গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণ করা হয়।
মির্জা ফখরুল বলেন, ২০২৪ সালে একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য উৎসাহজনক সুযোগ তৈরি হয়েছে। তিনি আরও যোগ করেন, আমাদের সেইসব ছেলে-মেয়ে-শিশুরা, যারা এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখবেন, তাদের আমরা সম্মানের সঙ্গে স্মরণ করি।
২০০৮ সালের শেষার্দ্ধে তিনি দেড় যুগের নির্বাসন শেষে ২৫ ডিসেম্বর সপরিবারে দেশে ফেরেন। এর ঠিক ১০ দিন পরে, ৩০ ডিসেম্বর, তার মা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া মারা যান।
এরপর গত ১০ জানুয়ারি রাতে বিএনপির অবস্থায়ী কমিটির সভায় তারেক রহমানকে দলের চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এরপর শুক্রবার তিনি প্রথমবারের মতো সাংবাদিক ও দলের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
এ অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক, প্রধান নির্বাহী ও শীর্ষ সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন। বিএনপি নেতা তারেক রহমান উপস্থিত হয়ে সবাইকে শুভেচ্ছা জানান।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের মতে, দীর্ঘ দিন নিজের কাজের কারণে দলের প্রধান তারেক রহমানের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় সম্ভব হয়নি। এ জন্য দল এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।






