গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় এক গৃহবধূকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার (১০ জানুয়ারি ২০২৬) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার ঘোনাপাড়া বাজার এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নির্যাতনের শিকার ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে কাশিয়ানী থানায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে, এছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
মামলা ও আদালতের নির্দেশনায় জানা গেছে, গত সোমবার এই ঘটনার বিষষয়টি ট্রাইব্যুনালের নজরে আসে। বিচারক তৎক্ষণাৎ কাশিয়ানী থানার ওসিকে নির্দেশ দেন, অভিযুক্তদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে আনা এবং মামলা নথিভুক্ত করার। বাদীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট জাবের আলম মোল্লা এ ব্যাপারে নিশ্চিত করেছেন। কাশিয়ানী থানার ওসি মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান জানান, আদালতের আনুষ্ঠানিক আদেশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত তারা।
আদালত থেকে জানা যায়, ভুক্তভোগী গৃহবধূ মহেশপুর ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা এবং এক সন্তানের মা। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় তিনি ইজিবাইকে করে তারাইল গ্রামে বোনের বাড়ি যাচ্ছিলেন। পথে ঘোনাপাড়া বাজারে পৌঁছালে অভিযুক্তরা তাকে আটক করে এবং মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে জোরপূর্বক একটি ভবনের দ্বিতীয় তলায় নিয়ে যায়। সেখানে তাকে বিবস্ত্র করে হাতে মাদক ও অস্ত্র ধরে ছবি ও ভিডিও ধারণ করে। পরে সেই ছবি ও ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে অভিযুক্তরা তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।
অভিযুক্ত আসামিরা হলেন: খায়েরহাটের খবির তালুকদারের ছেলে ওহিদুজ্জামান তালুকদার (৪৫), ঘোনাপাড়া গ্রামের শাজাহান মোল্লার ছেলে সান্টু মোল্লা (৪০), দুলু ফকিরের ছেলে অসিম ফকির (৩৫), মুন্নুর ছেলে ইমন (২৮) এবং জঙ্গলমুকুন্দপুরের জাহাঙ্গীরের ছেলে কালু (২৬)। স্থানীয় প্রশাসন জানায়, অপরাধীদের গ্রেফতারে পুলিশের কার্যক্রম চালু রয়েছে এবং বিচার নিশ্চিতে পুলিশ ও প্রশাসন সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।






