জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা তাহসান খান এবং আমেরিকান মেকআপ আর্টিস্ট রোজা আহমেদের বিবাহকালীন জীবন বর্তমানে ঝকঝকে সুখের পরিবর্তে তার সংকটে পড়েছে। তাদের দাম্পত্য জীবনের এক বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই তারা আলাদা থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাদের বিবাহ হয় ২০২৩ সালের ৪ জানুয়ারি, যখন তারা পারিবারিকভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। তবে সাম্প্রতিক বিভিন্ন সূত্র ও পরিস্থিতি বলছে যে, পারস্পরিক বোঝাপড়া ও জীবনধারার ভিন্নতার কারণে এই দম্পতি এখন আলাদা থাকছেন।
জানা গেছে, তাহসান খান ও রোজা আহমেদের মধ্যে জীবনযাত্রা ও প্রত্যাশা নিয়ে বড় ধরনের পার্থক্য তৈরি হয়। তাহসান চেয়েছেন তার ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবন যেন শান্ত, নিরিবিলি ও অন্তরালে থাকে। এ কারণেই তিনি সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে বিনোদন জগতে নিজেকে কিছুটা গুটিয়ে নিয়েছেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার উপস্থিতিও কমিয়ে দিয়েছেন। অন্যদিকে, রোজা আহমেদ বিয়ের পর তার সামাজিক পরিচিতি ও পরিসর বাড়িয়েছেন, নতুন জীবন ও বাস্তবতার সঙ্গে মানিয়ে নিতে আগ্রহী ছিলেন। এই দুই ভিন্ন মনোভাব ও জীবনধারাই তাদের মধ্যে মানসিক ও আলাদা থাকার পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে।
সম্প্রতি দেশের একটি জনপ্রিয় গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন তাহসান খান। তিনি নিশ্চিত করে বলেন যে, গুঞ্জনগুলো যাতে সত্যি তার জন্য দুঃখজনক। তিনি স্বীকার করেন যে, তারা কিছু মাস ধরে আলাদা থাকছেন। তবে এই পরিস্থিতি আরও জানার জন্য শিগগিরই একটি আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করবেন। গণমাধ্যমের নানা রকম সংবাদ ও ফোনকলের চাপের মধ্যে তিনি ব্যক্ত করেন যে, বাসায় থাকতে গিয়ে তিনি বেশ মানসিক চাপ অনুভব করছেন এবং এখন বসন্তের মতো শান্তি চাচ্ছেন।
পেশাগত দিক থেকে তাহসান খান সংগীতের পাশাপাশি নাটক ও চলচ্চিত্রে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। তিনি কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবন্তীর সঙ্গেও বড়পর্দায় কাজ করেছেন। অন্যদিকে, রোজা আহমেদ একজন পেশাদার ব্রাইডাল মেকআপ আর্টিস্ট এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে তার নিজস্ব একটি প্রতিষ্ঠানের মালিকা। উল্লেখ্য, তাহসানের প্রথম বিবাহ ছিল ২০০৬ সালে অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলার সঙ্গে। সেই বিবাহ দীর্ঘ ১১ বছর টিকে থাকার পর ২০১৭ সালে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। তাদের দুই সন্তানের মধ্যে বড় সন্তানের নাম আইরা তাহরিম খান।






