বিএনপির সভাপতি তারেক রহমান স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেছেন, কোনও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমেই বিএনপিকে দমন বা শক্তিহীন করা সম্ভব নয়। তিনি শনিবার (১৭ জানুয়ারি ২০২৬) রাজধানীর চীনা মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এক আলোচনা সভায় এই মন্তব্য করেন। এই সভার আয়োজন হয়েছিল গুম ও খুনের শিকার পরিবারের সদস্যদের জন্য, যারা ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ ও ‘মায়ের ডাক’ নামে দুটি সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে অংশগ্রহণ করেন। বক্তৃতায় তিনি তার দীপপ্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে বললেন, দীর্ঘদিন ধরে তাকে দেশ, পরিবার ও সাধারণ মানুষের থেকে আলাদা থাকতে হয়েছে। তবে মানসিকভাবে তিনি সবসময় দেশের পাশে ছিলেন। তিনি জানান, দেশের স্বজনহারাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য তার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন এবং স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে রাজপথে আন্দোলন গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। বিনয় প্রকাশ করে তিনি বলেন, ঐসব ব্যক্তির জন্য তিনি কি করতে পেরেছেন বা পারেননি, তা আলাদা আলাদা হতে পারে, তবে তার অন্তর থেকেই সবসময় চেষ্টা ছিল। তিনি ভবিষ্যতেও এ ধরনের সাহায্য অব্যাহত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তারেক রহমান বলেন, বিগত সরকারের সময় বিএনপি নেতাকর্মীদের উপর চালানো নৃশংস নির্যাতনের ভয়াবহতা চিত্র তুলে ধরেন। তিনি বলেন, হাজার হাজার নেতাকর্মীর উপর নির্মম নির্যাতন চালানো হয় এবং অনেককে গুম করে ফেলা হয়। তাঁদের পরিবার আজও এই সভায় উপস্থিত। তিনি অভিযোগ করেন, ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের জন্য দলের নেতাকর্মীদের ওপর দেড় লক্ষাধিক মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। এই মামলার বোঝা বহনে হয়েছে প্রায় ৬০ লাখ নেতাকর্মী। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এই মামলাগুলোর víগদে বছর বছর তাদের পরিবারগুলোকে ঘরবাড়ি ছাড়তে ও পালাতে হয়েছে, জীবনযাত্রা চলে অমানবিকভাবে। সব কিছুর পরেও, বিএনপি জনগণের অধিকার আদায়ে অবিচল ছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।






