আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও পবিত্র রমজান মাসের প্রভাবে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার আয়ে ব্যাপক ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা جاريেছে। প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের পরিমাণ যতই বাড়ছে, তা দেশের অর্থনীতির জন্য খুবই শুভ संकेत। বিশেষ করে চলতি জানুয়ারি মাসের প্রথম ১৪ দিনেই দেশের প্রবাসীরা প্রায় ১.৭ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা দেখিয়ে দেয় প্রতিদিনের অর্থ পাঠানোর বেশ সক্রিয়তা।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, নির্বাচন ও রমজানের এই সময়ে পরিবারে অতিরিক্ত খরচের ফলে প্রবাসীরা আরো বেশি অর্থ পাঠাচ্ছেন। এই প্রবণতা ভবিষ্যতে বাজারে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে আরও দৃঢ় করবে বলে তারা আশাবাদী।
গত বছর ২০২৫ সালে দেশে মোট প্রবাসী আয় ছিল প্রায় ৩,grep 82 কোটি ডলার, যা বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুতের প্রায় সমান। ডিসেম্বর মাসের শেষে, নতুন করে ৩২২ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এর আগে মার্চ মাসে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সবচেয়ে বেশি ৩২৯ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স সংগৃহীত হয়েছিল। জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত গত ছয় মাসে মাসে মাসে প্রবাসী পাঠানো অর্থের পরিমাণ ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়ে ডিসেম্বরে পতাকা তুলেছে ৩২২ কোটি ডলারে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকে প্রবাসী আয়ের এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়েছে। বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, অর্থপাচার ও অবৈধ হুন্ডি ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ এবং দেশের ব্যাংকিং চ্যানেলে ডলের বিনিময় হার স্থিতিশীল থাকায় প্রবাসীরা স্বচ্ছভাবে অর্থ পাঠাতে উৎসাহিত হচ্ছেন।
বৈদেশিক মুদ্রার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এশিয়ান ক্লিয়ারিং یونিয়নের (আকু) ১৫৩ কোটি ডলারের বিলের পর, ৮ জানুয়ারি দেশের গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩২.৪৩ বিলিয়ন ডলার। আরও জানা যায়, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের বিপিএম-৬ পদ্ধতির ভিত্তিতে দেশের নিট রিজার্ভের পরিমাণ এখন ২৭.৮৪ বিলিয়ন ডলার। এই মুহূর্তে দেশের অর্থনীতি বলিষ্ঠ বেশ, যা দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার জন্য আশাব্যঞ্জক।






