আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে বাংলাদেশ পুলিশের প্রস্তুতি সম্পূর্ণ। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, পুলিশ কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের রক্ষাকর্মী নয়, বরং তারা জনগণের করের টাকা দিয়ে পরিচালিত রাষ্ট্রের অফিসার। রবিবার সকালে রাজশাহীর সারদা পুলিশacademy-এ সহকারী পুলিশ সুপারদের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের সময় পুলিশের সব সদস্যের শতভাগ নিরপেক্ষতা বজায় রাখার জন্য কঠোর নির্দেশ দেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, দায়িত্ব পালনকালে অসৎ সুবিধা বা কোনো প্রকার আর্থিক লাভ গ্রহণ করা উচিত নয়। যদি কোন ভোট কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়, তাহলে রিটার্নিং অফিসারের পরামর্শ ও নির্দেশনা অনুযায়ী তা কঠোরভাবে দমন করতে হবে। নির্বাচনের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ইতিমধ্যে প্রায় এক লাখ পুলিশ সদস্যকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও আইনের শাসন রক্ষায় পুলিশ কর্মকর্তাদের আচরণের উপর গুরুত্ব দেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। তিনি বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া সমাজে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। তাই পুলিশ বাহিনী মূলত জনগণের সেবা এবং আইনের মান্যতা নিশ্চিতের জন্য কাজ করে। বাংলাদেশ পুলিশ কেবল একটি সাধারণ বাহিনী নয়, এটি রাষ্ট্র ও জনগণের সরাসরি সেবক। তিনি উল্লেখ করেন, নতুন উন্নত বাংলাদেশের জন্য পুলিশকে জ্ঞান, নৈতিকতা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও জনবান্ধব সেবার ভিত্তিতে গড়ে তোলা জরুরি।






