ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহে (১১ থেকে ১৫ জানুয়ারি) সূচকের পতন এবং লেনদেনের উল্লেখযোগ্য হ্রাসের কারণে বাজারের পরিস্থিতি নেতিবাচক ছিল। এই সময়ে সব ধরনের সূচক কমেছে, এবং লেনদেনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে নেমে এসেছে।
গত সপ্তাহের তুলনায় ডিএসইতে মোট লেনদেন ১৯.৯০ শতাংশ কমেছে, যা প্রায় ৪৭২ কোটি ১৬ লাখ টাকার কাছাকাছি। এর ফলে প্রায় ৬৫ শতাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর কমে গেছে, যদিও একই সময়ে বাজারের মোট অর্থমূল্য কিছুটা বেড়েছে এবং সপ্তাহ শেষে এটি দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ লাখ ৮৪ হাজার ৪৪০ কোটি টাকায়।
আশ্চর্যজনকভাবে, সপ্তাহ জুড়ে মোট শেয়ার লেনদেনের পরিমাণ ছিল প্রায় ১ হাজার ৯০০ কোটি টাকার মতো, যেখানে প্রতিদিনের গড় লেনদেন ছিল প্রায় ৩৮০ কোটি ১২ লাখ টাকা। এটি আগের সপ্তাহের গড় লেনদেন ৪৭৪ কোটি ৫৪ লাখ টাকার চেয়ে কম।
মূলত, গত সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ৪১৩টি কোম্পানি ও ইউনিটের শেয়ার লেনদেন হয়। এর মধ্যে মাত্র ৯৩টির দর বেড়েছে, আর ২৬৮টির দর কমে গেছে। তবে ২৫টি কোম্পানির দর অপরিবর্তিত ছিল। এই নিম্নমুখী প্রবণতা সৃষ্টি হয়েছিল ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৩৯.৫৬ পয়েন্ট হারিয়ে ৪,৯৫৮.৯৯ পয়েন্টে অবস্থান করার মাধ্যমে।
অন্য সূচকগুলোও কমেছে। ডিএসই-৩০ সূচক ২.২২ পয়েন্ট নেমে ১,৯১২.৭২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস ১৪.৮৭ পয়েন্ট কমে ৯৫২.৯৩ পয়েন্টে এসেছে, এবং ডিএসএমইএক্স সূচক ৫.১৫ পয়েন্ট কমে ৯৫২.২২ পয়েন্টে ঠেকেছে।
তবে, সূচকের এই ধারাবাহিক পতন এবং লেনদেনের নিম্নগতি সত্ত্বেও বাজারের মোট মূলধন অবস্থান কিছুটা ইতিবাচক ছিল এবং বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। 전체 দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, বাজারের এই পরিস্থিতি সাময়িক-মুখো ক্ষতি হলেও বিনিয়োগের জন্য সতর্কতার পরামর্শ দিচ্ছে।






