বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশনের ওপর দলের পুরোপুরি আস্থা রয়েছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, নির্বাচন কমিশন তাদের যোগ্যতা, দক্ষতা ও আন্তরিকতা দিয়ে আগামীতে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে সক্ষম হবে। এটি বলতে পারা যায় যে, স্বতঃস্ফূর্তভাবে গণতন্ত্রের স্বার্থে কমিশন তাদের দায়িত্ব পালন করছে। সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, রাজধানীর চন্দ্রিমা উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন মির্জা ফখরুল।
বিএনপি মহাসচিব আরও জানান, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। দেশের জনগণ গত দেশের স্বৈরাচারী সরকারের শাসন থেকে মুক্তির জন্য গণঅভ্যুত্থান চালিয়ে নতুন দিগন্তের পথে পা বাড়িয়েছে। এই রাজনৈতিক পরিবর্তনের ফলে দেশ এখন একটি নতুন যুগে প্রবেশ করেছে। তিনি বলেন, বিএনপি স্থির সংকল্পবদ্ধ যে, একত্র হয়ে দেশের অর্থনীতির ক্ষত সারিয়ে তোলা, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ ছড়িয়ে দেয়ার মাধ্যমে এক সুখী, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলবে।
নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম নিয়ে সাংবাদিকদের জিজ্ঞাসা করলে মির্জা ফখরুল স্পষ্ট ভাষায় বলেন, কিছু ছোটখাটো সমস্যা হয়তো হয়েছে—তবে overall তারা তাদের দায়িত্বের সঙ্গে বিশ্বাসযোগ্যতা দেখিয়েছেন। তিনি বলেন, বিএনপি পুরোপুরি বিশ্বাস করে যে, এই নির্বাচন কমিশন তাদের স্বচ্ছ ও নিরপত্তাশীল নির্বাচন সম্পন্ন করতে সক্ষম। এই বিশ্বাসের ভিত্তিতে, বিএনপি এবং তার নেতা-মন্ত্রীরা নির্বাচন কমিশনের প্রতি পূর্ণ আস্থা রাখেন।
শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত ছিলেন, যার মধ্যে রয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এবং ড. আব্দুল মঈন খান। এছাড়াও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা এ অনুষ্ঠানে অংশ নেন। দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়া’র জন্মদিন উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি ও ব্যাপক আলোচনা-পর্যালোচনা চলমান রয়েছে।






