বুধবার অর্থাৎ সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস দেশের প্রধান পুঁজিবাজারে সূচকের ওঠানামার মধ্যে দিয়ে লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে। ডিএসইতে (ঢাকা স্টক একচেঞ্জ) লেনদেন কিছুটা কমলেও চট্টগ্রাম স্টক একচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন বেড়েছে, যা বাজার বিশ্লেষকদের মনে দেশের দুই বাজারের পরিস্থিতি বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বিশ্লেষণ বলছে, বুধবার ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৩ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ১০৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি শরিয়াহ সূচক ৩ পয়েন্ট হ্রাস পেয়ে ১০২৭ এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৬ পয়েন্ট কমে ১৯৬৫ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
অর্থনৈতিক কার্যক্রমে নজর দিয়ে দেখা যায়, ডিএসইতে ওই দিন মোট ৬০৫ কোটি ৬০ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে, যা আগের কার্যদিবসে ছিল ৬৬৯ কোটি ৮৫ লাখ টাকা, অর্থাৎ ৬৪ কোটি টাকার লেনদেন কমেছে।
এই দিন ডিএসইতে মোট ৩৮৯টি কোম্পানি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটের লেনদেন করেছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৩৬ টির, কমেছে ১৯২টির, এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৬১টির শেয়ার ও ফান্ডের দর।
বাজারে শীর্ষে থাকা কিছু প্রতিষ্ঠান হলো—ওরিয়ন ইনফিউশন, স্কয়ার ফার্মা, এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ, প্রগতি ইন্স্যুরেন্স, রূপালী লাইফ, চাটার্ড লাইফ, প্রগতি লাইফ, বেক্সিমকো ফার্মা, খান ব্রাদার্স ও সামিট পোর্ট।
অপরদিকে, চট্টগ্রাম স্টক একচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৬ পয়েন্ট কমে ১৪,২৩৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। বুধবার সিএসইতে ১৯৮ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শেয়ার দর বেড়েছে ৮৬টির, কমেছে ৯১টির, এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২১টির দর।
এই দিন সিএসইতে মোট ১৩ কোটি ১৩ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের তুলনায় ২ কোটি টাকা বেশি। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ১০ কোটি ৭৬ লাখ টাকা।






